X

Star jalsha Zee Bangla colours Bangla serial যদি আপনি দেখেন তাহলে এই লেখা অবশ্যই পড়ুন। এই লেখা পড়াটা আপনার একান্ত দরকার। আপনার অনেক উপকার হবে। Star jalsha Zee Bangla colours Bangla serial

Star jalsha, Zee Bangla, colours Bangla serial আপনি কি দেখেন? তাহলে এই লেখা আপনার জন্যই
Star jalsha Zee Bangla colours Bangla serial

Star jalsha Zee Bangla colours Bangla serial এখন বাংলার ঘরে ঘরে। ছোট থেকে বড় সবার মাথায় এবং মুখে এই সিরিয়ালগুলো ঘুরতে থাকে। হ্যাঁ প্রতিটি মানুষের জীবনেই বিনোদন অপরিহার্য সত্যি দরকার বিনোদন ছাড়া ছোট বড় সবার জীবন একঘেয়ে হয়ে ওঠে। কিন্তু Star jalsha Zee Bangla colours Bangla serial গুলো কি আদৌও বিনোদনের উপযুক্ত এটাই একটা বড় প্রশ্ন দরকার হলে Netflix দেখুন Google Play music শুনুন

আমরা যদি দশ বছর আগের দিনগুলোতে ফিরে যাই তাহলে দেখতে পাব বাংলার ঘরে ঘরে সন্ধাবেলায় তুলসী তলায় সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বলছে কারু বাড়ি থেকে ভেসে আসছে শাঁখ কিংবা উলুধ্বনির মধুর শব্দ। আর এখন যদি কারু বাড়িতে ঢোকেন তাহলে দেখবেন বাড়ির প্রায় সকলে মিলে একটা মেয়ের কান্নার ধ্বনি শুনছে। সবাই মিলে একটা মেয়েকে কাঁদাচ্ছে আর দর্শক তাই গিলছে 😂🤣😂

হেডফোন ছাড়া দেখবেন না 😂

বাংলা সিরিয়েলের রিয়েক্টগুলো দেখার মতো একটু ডাল পড়েছে বউমার হাতা থেকে বাশ শালা পুরো বাঁশ হয়ে যাবে ২০ মিনিট। রিয়েকসনগুলো দেখলে মাইরি জীবনটা আলুপঁচা হয়ে যাবে।

আচ্ছা মা মাসি পিসি পিসে কাকু কাকি দিদি দিদা দাদা বৌদি চাকর ঝি আরও জনা দশেক মিলিয়ে ফ্যমেলি এগুলো ফ্যামেলি না ছোট ছোট রাজ্য! হ্যাঁ ???

আচ্ছা কে কার বর কে কার পিছনে বাঁশ দিচ্ছে এগুলো তো কমন কিন্তু তাই বলে বামাক্ষেপা কিংবা লোকনাথকে নিয়েও যা খুশি? কে দেয় এদের? আই মিন স্ক্রিপ্ট কে দেয়? মানে যা খুশি করে গেলেই হল। লাজ লজ্জা না হয় নাই তাই বলে মান সম্মানও নাই? আমি সিরিয়ালওলাদের কথা বলছি না আমি সিরিয়ালের পোকাগুলোর কথা বলছি।

Star jalsha Zee Bangla colours Bangla serial কী কী ক্ষতি করে দেখুন

আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না আপনার একবছরের কতটা সময় এই Star jalsha Zee Bangla colours Bangla serial গুলো খায়। আপনার মন মানসিকতা কতটা নিচে টেনে নামায়। আচ্ছা কখনোও কি ভাবেন না এই সিরিগুলো দেখে কী শেখেন? কী আছে এগুলোতে। কোম্পানি লাখ লাখ টাকা কামাচ্ছে আর আপনি বিষাক্ত মধু গিলছেন।

না শুধু আপনি গিলছেন না আপনার বাড়ির কচি বাচ্চাওরাও গিলছে। আপনি কী জানেন ওরা এই সিরিয়ালগুলো দেখে এটাকেই সমাজের আসল চেহারা ভাবছে। এর পরিনাম কল্পনা করতে পারছেন?

সন্ধ্যা হলেই star jalsha star jalsha star jalsha নয়ত Zee Bangla Zee Bangla Zee Bangla ভাই সহ্যের একটা সীমা থাকা উচিৎ। সহ্যের সীমা পুরো মাসিমা হয়ে গেছে এই Star jalsha Zee Bangla colours Bangla র জন্য

আপনি জানতেও পারছেন না আপনার বাচ্চার কতটা ক্ষতি করছেন। এর পরিনতি কী হতে পারে তার ফল আগামী দিনে নিশ্চয় পাবেন।

গুড় আর গু এর পার্থক্যটুকু অন্তত বুঝুন নতুবা আগামী আপনার জন্য মারাত্মক হতে চলেছে।

Star jalsha, Zee Bangla, colours Bangla

সিরিয়াল সম্পর্কে সাহিত্যিক কেয়া মুখোপাধ্যায় এর মন্তব্য

সিরিয়াল কিলার
সেবার প্রথম মার্কিন মুলুকে এসেছি একটা ফেলোশিপ নিয়ে। থাকি একটা ইউনিভার্সিটি টাউনেi। ক্রিসমাসের অনেক আগে থেকেই সব ফাঁকা ফাঁকা। স্টুডেন্টরা বেশিরভাগ নিজেদের বাড়ি ফিরে গেছে। প্রোজেক্ট শেষ করে দেশে ফিরে থিসিস জমা দেবার তাড়া আমার।
একটা রিপোর্ট জমা দিতে হবে সোমবার। শুক্রবার সন্ধেয় দেখা গেল সারা সপ্তাহ ধরে করা এক্সপেরিমেন্টটা ফেল করেছে। নতুন করে কিছু শুরু করতে ইচ্ছে করছে না। বাড়ি ফিরব। বাইরে বেরিয়ে দেখি স্নো ফল শুরু হয়ে গেছে বহুক্ষণ। পুরু সাদা বরফ চাদরে ঢেকে গেছে সব। রাস্তা আর মাঠ আলাদা করা যাচ্ছে না। শেষ শাটল বাস চলে গেছে আগেই। অতএব স্নো পেরিয়ে হাঁটতে না চাইলে একটাই উপায়- অফিসে থেকে যাওয়া। আর ভরসা ভেন্ডিং মেশিনের স্ন্যাকস।
ফোনে এক বন্ধু বলল, ওইরকম একটা বিচ্ছিরি সময় কাটাতে সবচেয়ে ভাল উপায় হল বেদম মজার বাংলা সিনেমা দেখা। এরকম ভাল পরামর্শ সত্যিই হয় না। মনে আছে, পর পর সাড়ে চুয়াত্তর, ভ্রান্তি বিলাস, ধন্যি মেয়ে দেখেছিলাম।
আর একবার একটা বোরিং মিটিং এর আগের রাতে প্রেজেন্টেশন বানাতে বসে বিরক্ত হয়ে দেখতে শুরু করলাম ‘ছদ্মবেশী’। ছবি শেষ হবার পর বেশ একটা নতুন উদ্যম পাওয়া গিয়েছিল।
ক’দিন আগে ওইরকমই এক পরিস্থিতিতে ভাবলাম, ফর আ চেঞ্জ- এবার একটু বাংলা সিরিয়াল দেখলে কেমন হয়! এ চ্যানেল ও চ্যানেল পাল্টে কয়েকটা সিরিয়াল দেখতে গিয়ে বাংলা ভাষার যে নমুনা পেলাম, তার কয়েকটা বলি।
টিভিতে বলেছে কী আজ বৃষ্টি হবে।
এখন ফোন ধরতে পারব না কেন কী ব্যস্ত আছি।
কান খুলে শুনে রাখা দরকার সত্যি কথাটা।
এই তো শুরু, আগে আগে দেখ কী হয়।
সবাই মিলে হাত ধুয়ে ও বেচারার পেছনে পড়া একদম ঠিক নয়।
ছোটবেলা থেকে ধ্যান দিয়ে পড়াশোনা করলে তবে না পরে গিয়ে কেরিয়ার তৈরি হবে।
জিনিসগুলো সবই লাওয়ারিশ।
না তো তুমি এমনি করতে আর না তো আমি কথাটা বলতাম।
ওনার শুভনাম হচ্ছে অমুকচন্দ্র তমুক।
এছাড়া বাংলার ভুল প্রয়োগ? ওরে বাবা! কত নতুন অভিনেতাকে যে কনফিডেন্টলি বলতে শুনলাম: “উনি তো বলেছে” বা “তিনিই তো করেছে”! ‘এনার’ আর ‘ওনার’ তো ছড়াছড়ি। সেইসঙ্গে বাক্যের শুরুতে ‘তো’।
স্পষ্ট উচ্চারণের কথা তো ছেড়েই দিলাম। আধো আধো বোল মুখে। যেন নতুন বাংলা শিখেছেন। একই অবস্থা টিভির বাংলা বিজ্ঞাপনের।
একেবারে সূচনা পর্ব থেকে আজ – বিবর্তনের অনেকগুলো স্তর পেরিয়ে এসেছে বাংলাভাষা। ভাষা নদীর মতোই বহমান। অন্য ভাষার শব্দ এসে মিলে একটা ভাষাকে সমৃদ্ধ করে। আবার একটা ভাষাও অনেকসময় নানা ভাগে ভাগ হয়ে যায়। সেভাবেই সুপ্রাচীন আর্যভাষা ভাগ হয়ে গিয়েছিল পালি, প্রাকৃতের নানা শাখা কিংবা প্রাকৃতের অপভ্রংশে।
কিন্তু হিন্দিভাষার বাক্‌বিধি/ বাক্যবিন্যাস এভাবে অনায়াসে বাংলাভাষায় ব্যবহার করে কি বাংলাভাষাকে দূষিত করা হচ্ছে না? সিরিয়ালের এই বাংলা কি আমাদের কথ্য বাংলাতেও কি প্রভাব ফেলছে না!
এভাবেই অন্য ভাষার বাক্‌বিধি আত্মস্থ করে কি নতুন বাংলা তৈরি হবে? নাকি এই বাংলাকে আমরা বর্জন করব? ‘সিরিয়াল’-ই কি শেষ অবধি বাংলা ভাষার ‘কিলার’ হয়ে উঠবে!
উত্তরটা হয়তো সময়ই দেবে।

Star jalsha Zee Bangla colours Bangla

এবার দেখুন রাজকুমার রায়চৌধুরীর গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট

সালের মাহাত্ম্য-বিশ্বাসে মিলায়ে বস্তু তর্কে বহুদূর
বর্তমানে zee Bangla তে রাণী রাসমণি সিরিয়াল খুব জনপ্রিয়। টি আর পি চার্টে সবার ওপরে।দ্বিতীপ্রিয়া রায় রাসমণি চরিত্রকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাবু রাজচন্দ্রের চরিত্রে নূর ও ভাল অভিনয় করেছেন। আর ঈশ্বরচন্দ্রের ভূমিকায় যিনি অভিনয় করেছেন তিনি তর্কালঙ্কার মহাশয়কে যুক্তির জালে এমনভাবে পরাস্ত করেছেন যে তুলনা নেই। তবে এঁদের মুখে যাঁরা কথা যোগাচ্ছেন তাঁদেরকেও স্মরণ করা দরকার।রাণী রাসমনির সংগ্রামকে যাঁরা জলজ্যন্ত রূপ দিয়েছেন তাঁদের স্মরণ করা অত্যন্ত আবশ্যিক।এই সিরিয়াল এর লেখিকা হলেন শাশ্বতী ঘোষ, যিনি বেহুলা, এস মা লক্ষ্মী সিরিয়াল গুলো লিখেছিলেন আর যাঁর গবেষণায় এই জনপ্রিয় সিরিয়ালটি গড়ে উঠেছে তিনি অতি জনপ্রিয় সাংবাদিক শিবাশিষ বন্দোপাধ্যায়।
এবার আসি আসল কথায়। জনপ্রিয়তাকে দূরে সরিয়ে যদি সত্যকে খুঁজতে চেষ্টা করি। বিদ্যাবুদ্ধি যতদূর দাবি করে ঈশ্বরচন্দ্র কোনকালে দেব-দেবী, আচার অনুষ্ঠানের পক্ষপাতী ছিলেন বলে মনে পড়ে না। তাই সন্দিহান হতে হয় বাবু রাজচন্দ্র, রানী রাসমনি ও বিদ্যাসগরের মধ্যে পাতানো পিসি ভাইপো সম্পর্ক দেখে। ইতিহাসে সত্যই কি এরকম কিছু ঘটেছিল? আসুন দেখি একটু ইতিহাস ঘাঁটি।
রানী রাসমনির জন্ম হয়েছিল ১৭৯৩ সালে। মাত্র ১১ বছর বয়সে কলকাতার জমিদার বাবু রাজচন্দ্র দাসের সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়।সাল হিসাবে দেখতে গেলে ১৮০৪ সাল। অন্যদিকে ঈশ্বরচন্দ্রের জন্ম হয় ১৮২০ সালে। মাত্র ৯ বছর বয়সে তিনি কলকাতা পাড়ি দেন।সাল যদি ধরি তবে হবে ১৮২৯। এবার একটা চমক দি। ১৮৩০ সালে বাবু রাজচন্দ্র দাস মারা যান। অর্থাৎ রানী রাসমণির জীবনে বৈধব্য নেমে আসে। হিসাব বলছে ঈশ্বরচন্দ্রের বয়স তখন ১০।
আমার প্রশ্ন মাত্র ৯ বছর বয়সে ঈশ্বর এসেই সমাজসংস্কারক হয়ে গেলেন? ১০ বছর বয়সেই তর্কালঙ্কার মহাশয়ের সাথে হিন্দুশাস্ত্র নিয়ে তর্ক জুড়ে দিলেন? তবে তিনি পড়াশুনা করলেনই বা কবে আর বিদ্যাসাগর উপাধি অর্জন করলেনই বা কবে? একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেল না!শিবাশিষ মহাশয় কি সুস্থ মস্তিষ্কে গবেষণা করেছিলেন? প্রশ্ন থেকে যায়। অনেকে প্রশ্ন তুলতে পারেন আমার বক্তব্যের সারবত্তা নিয়ে। আমার লেখার নিচে রেফারেন্স লিঙ্কগুলো তুলে দিলাম, যা আমার বক্তব্যের সারবত্তা প্রমাণ করবে।
আমি অনেক কিছু নিয়ে নিজের বক্তব্য রাখি, কিন্ত বাংলা সিরিয়াল নিয়ে কোন লেখা লিখেছি বলে আমার মনে পড়ছে না। কিন্ত এই লেখা লিখতে বাধ্য হচ্ছি যখন দেখছি বই পত্রের ভার ত্যাগ করে বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্ম বোকা বাক্সের উপর নির্ভরশীল। এমনকি ইতিহাসকে চেনে বা জানে বোকা বাক্সের মধ্যে দিয়ে। প্রতিবাদ করা অত্যন্ত জরুরি। ইতিহাসকে ফাঁকি দিলে ইতিহাস ও একদিন আমাদের ফাঁকি দেবে।

Star jalsha Zee Bangla colours Bangla

Star jalsha, Zee Bangla, colours Bangla যেন আপনাকে শেষ না করে দেয়

আচ্ছা নিজের ভাল তো পাগলেও বোঝে আর আপনারা যদি সব জেনেও না বোঝেন তাহলে কিছুই বলার নেই। এই সিরিয়ালগুলো শিল্প নয় এই সিরিয়ালগুলো দেখে আপনি কিছুই শিখবেন না। শিক্ষা সংস্কৃতি সব নষ্ট করছে Star jalsha Zee Bangla colours Bangla সিরিয়ালগুলো

আচ্ছা যেরকম নিম্ন মানসিকতার দেখান হয় আমাদের বৌ শাশুড়ী বা ননদদের বাংলার মা বোনেরা সত্যিই এমন? ভাবুন ভাই ভাবুন ভাবতে শিখুন। আমার বক্তব্য কুনাট্য রঙ্গে না মজে ভাল কিছু দেখুন ভাল কিছু শিখুন। ভাল গল্প উপন্যাস পড়ুন। ভাল সিনেমা দেখুন খেলা দেখুন এই Star jalsha Zee Bangla colours Bangla জীবন নষ্ট করবেন না

আপনার এবং আপনার পরিবারের জন্য শুভেচ্ছা রইল

নিচের লিংক থেকে আমাদের অন্যন্য লেখা পড়ুন

প্রেমের গল্প

ভূতের গল্প

রহস্য উপন্যাস

প্রেমের উপন্যাস

This website uses cookies.