Bangla golpo kobita uponyas choti golpo bangla shayari sob ache ekhane. Notun Bangla choti- পর্ণার পাতায় পাতায় – Bengali website গল্প
X

Notun Bangla choti- পর্ণার পাতায় পাতায়

Notun Bangla Choti Golpo


            বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়

পর্ণার পাতায় পাতায়, নতুন চটি

notun bangla choti এখন বাংলায় প্রচুর লেখা হচ্ছে। কিন্তু এই notun Bangla choti মনকে ছুঁতে পারে না। কারণ আজেবাজে ভাষার ব্যাবহার চটিগল্প গুলোকে অখাদ্য করে তোলে। আজ অসাধারণ এক নতুন চটি গল্পের সঙ্গে পরিচয় হোক।

Notun Bangla choti golpo- পর্ণার পাতায় পাতায়। প্রাপ্ত বয়স্ক গল্প।

 বিকেলের রোদ সোনাঝুরি পাতা গড়িয়ে টুপটাপ ঝরে পড়ছে ঘাসের উপর। বিকেলের রোদ যেন মনকেমনের সব দরজাগুলো খুলে দিয়েছে আজ। আমি নীলের বুকে বেঁচে থাকা মেঘ গুনতে গুনতে হারিয়ে যাচ্ছি প্রেমে ভিজে থাকা দিনগুলোতে। টুকরো টুকরো কথার মালা দুকানে ভিড় করে আসছে। আজ সকালে রবিদার চায়ের দোকানে দুচুমুক চা খাওয়ার পর সবে সিগারেটে একটা টান দিয়েছি হঠাৎ দেখি আমার মুখোমুখি পর্ণা দাঁড়িয়ে। অচেনা পর্ণা। কোনওদিন যে পর্ণাকে আর চিনতে পারব না আমি। আজ দশদিনের মাথায় জানতে পারলাম ঈশ্বরের পুতুলনাচ খেলায় আমি পর্ণার শ্বশুরবাড়ির প্রথমিক শিক্ষক!

💜💚❤আপনার বিউটিকে খুঁজুন এখানে ক্লিক আর ফুল মস্তি করুন❤💛💚

Notun Bangla choti প্রথম অংশ

পর্ণা আমার স্কুলের ঝগড়ুটে বান্ধবী। কলেজের অভিমানী প্রেমিকা। স্কুলে কবে প্রথম পর্ণার চোখের কাজলে ডুবেছিলাম সেটাও আমার খুব মনে পড়ে। মাধব বাবু ক্লাস থেকে বাইরে বের করে দিয়েছিলেন আমাকে। আমার দোষছিল না। সেদিন প্রথম দেখেছিলাম পর্ণার চোখে প্রেম লেগে আছে। স্কুলে ওকে প্রেম নিবেদনের সাহস পাইনি। কলেজে যখন বেশ কয়েকদিন চেষ্টার পর ওকে প্রপোজ করলাম। অপমানিত হলাম। একলা রাস্তার বাঁকে বসে কাঁদলাম। কতদিন পর্ণার দিকে চাইতে পারিনি লজ্জায়। ওর থেকে দূরে দূরে থাকতাম।

Notun Bangla choti golpo

    একদিন এমনই এক গোধূলি বেলায় পর্ণা স্কুটি নিয়ে আমাদের বাড়ি। ওর জন্মদিনের নেমন্তন দিতে এসেছিল ও। আমার বাড়ি আসবে বলেই কলেজে নেমন্তন দেওয়া তো দূর, একটা কথাও বলেনি ও। ওর জন্মদিনের কয়েকদিন পর কলেজ থেকে ফেরার বাস ধরতে যাব হঠাৎ প্রথমবারের জন্য আমার হাত ধরল পর্ণা, ‘শেষ বাসে যাবি। তোর সঙ্গে কথা আছে।’

Bangla premer kobita, shayari, sms এখানে পাবেন

    এরপর প্রতিদিন আমরা হারিয়ে যেতাম পলাশে শিমূলে কৃষ্ণচূড়ায় মাখামাখি হয়ে। লালধূলা মাড়িয়ে পায়ে পায়ে প্রেম গড়িয়ে চলত আগামী দিনের স্বপ্নে। ‘ছেলে হলে প্রেম, মেয়ে হলে পিয়া’- আমার ঠোঁটে প্রথম উষ্ণতার চিহ্ন এঁকে বলেছিল পর্ণা। সারা শরীরজুড়ে জেগেছিল সেদিন মাতাল বাতাস। সারা মনজুড়ে উড়েছিল কয়েক হাজার হরিয়াল। ইচ্ছে করছিল পর্ণা পর্ণা করে চিৎকার করতে। সেদিন রাতে প্রথম স্বপ্নদোষ হল আমার। পর্ণার সঙ্গে মিলিত হলাম স্বপ্নে। স্বপ্নে আমরা বেড়াতে গিয়েছিলাম অচেনা অজানা হলদে পাতা জঙ্গলে। ছোট্ট একটা পাহাড়ের উপর গাছের ভিড়ে শরীর লুকিয়ে গল্প করছিলাম আমরা। আমার কোলে মাথা দিয়ে শুয়েছিল পর্ণা। অদূরে নানান পাখির পরিচিত অপরিচিত সুর।

পর্ণার ব্লাউজের দরজা দিয়ে উত্তাল কৌতূহল নিয়ে চেয়েছিল ওর ডাগর বুক দুটো। আমার চোখ দুটো পথ হারিয়েছিল ওর বুকের আলোআঁধারি গলিতে। খুব ইচ্ছে করছিল ব্লাউজের নিষেধ সরিয়ে উদ্দাম ঢেউ ভাঙতে। পর্ণার হাতের ইশারায় আমিও বুঝতে পারছিলাম, মিলন দূরে নয়। গরম বাতাস ছড়িয়ে পড়ছিল পর্ণার নিশ্বাসে। কিন্তু কে গাইবে প্রথম মিলনের সুর। লজ্জা জড়িয়েছিল দুটো মনে। শরীর অস্থির হচ্ছিল মিলনে।

    শেষ পর্যন্ত পর্ণা নিজেই সুযোগ করেদিল। আসলে ওর পক্ষেও এই হলদে নির্জনে নিজেকে সামলানো সহজছিল না আর। ‘আমার খুব জোর হিসু পেয়েছে। কিন্তু আমি এই ঝোপঝাড়ের ভেতর দিয়ে একা দূরে যেতে পারব না কিছুতেই। তুই চোখ বন্ধ করে থাক একমিনিট। ভুলেও চোখ খুলবি না, তাহলে আড়ি হয়ে যাবে কিন্তু।’- আমার কোলে মাথা রেখেই দুচোখ দুষ্টুমি নিয়ে কথাগুলো বলল পর্ণা।

    কয়েক সেকেন্ড পর আমি যখন আলতো করে চোখ খুলেছি তখন পর্ণার বুনো ঝর্নাধারায় ধৌত হয়ে যাচ্ছে শুকনো ঝরাপাতা। কালচে পাথর। লালচে মাটি। অগ্নেয় উষ্ণতায় ফেটে যাচ্ছে আমার শরীর। ভিজে যাচ্ছে অন্তর্বাস।

Valo Bangla choti

    শাড়ির পর্দা নামানোর পর্ণা আর সুযোগ পায়নি। আমার ঠোঁট ওর গভীরাঙ্গে আদরে আদরে ওকে পাগলী করে তুলেছিল । আবেগে উষ্ণতায় পর্ণার নখ বাঘিনির মতো খামচে ধরছিল আমার পিঠ। কখনো বা চুলের মুঠি। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমি যখন পরাজিত, তখনো পর্ণা শান্তি নয় যুদ্ধ চায়। প্রায় একঘণ্টার যুদ্ধবিরতি রেখে আবারও শুরু হল যুদ্ধ, আবারও জয় হল পর্ণার। বাড়ি ফেরার আগে আবেগে আরও একবার মিলন চাইল পর্ণা। আদরে চিৎকার করল কয়েকবার। প্রথমবার জয় হল আমার। তারপর যখন ঘুম ভাঙল তখন যে অবস্থা, লজ্জা। সেটুকু আপনিও হয়তো জানেন।

Bangla choti golpo. কী ?কেমন বিস্তারিত ভাবে জানুন এখানে ক্লিক করে

    ‘এই স্বপ্নের গল্পটাও পর্ণাকে বলেছিলাম। হাসতে হাসতে ও বলেছিল, ‘শরীরের সুধা সময়ের আগে পান করলে তাপ কম হয়, চাপ বাড়ে। তাই চালাকি নয়। চুমু দিয়ে কাজ চালা। খুব প্রবলেম হলে তোর পর্ণাকে কল্পনায় রেখে পর্ণ দেখে নিবি।’

Bengali sad shayari photo এখানে পাবেন

আমরা মাঝেমাঝে চটি খুলে রেখে গন্ধেশ্বরীর মনমরা জলে পা ডুবিয়ে জলকে জাগাতাম। পর্ণা আমার বুকে ডুবে থাকত বুনোহাঁসের মতো। আমি ওর সেম্পু-সাবান-পারফিউম থেকে শুরু করে ওর বুকের উত্তাল গন্ধ পেতাম। ওর নিঃশ্বাসের গন্ধ পেতাম, বিশ্বাসের গন্ধ পেতাম। পর্ণার বুকের প্রতিটা হিন্দোল আমাকে একটা একটা রূপকথার রাজ্যে ছুঁড়ে দিত। খুব ইচ্ছে করত স্বপ্নটাকে বাস্তবায়িত করতে। দুএকবার ওকে উত্তেজক ভিডিও দেখিয়েছিলাম। মাঝে মাঝে নতুন চটি গল্প পড়েও শুনিয়েছিলাম। কিন্তু পর্ণা উদ্দামছিল উতলাছিল না। আমার ঠোঁট বা হাত ওর বুকের পাহাড়ি পথ পেরিয়ে নাভি পর্যন্ত নামার সুযোগ পেয়েছিল সহজেই, তারপরের পথ জানা ছিল না আর।

Notun Bangla choti … দ্বিতীয় অংশ

তারপর একদিন কাউকে কিছু না বলেই বাবা চলেগেলেন। উনুনের সঙ্গে ভাতের হাঁড়ির বিরোধ বাঁধল। বাঁচার পথ হারিয়ে ফেললেন মা। সমস্ত বসন্তের বুকে জমাট বাঁধল থকথকে কালো মেঘ। মায়ের মুখটা দেখলেই আমি দুচোখের উত্তাল বৃষ্টিতে ভিজতাম। হাসি কান্না সব ভুলে গেলেন মা। অনাহার আর অনিদ্রা অতিথির মতো নিজের সম্মান নিয়ে বাস করতে শুরু করল আমাদের ঘরে।

Bangla choti …

[২]

এখন সোনাঝুরির মাথা বেয়ে সন্ধা গড়িয়ে নেমেছে ঘাসে ঘাসে। বকেদের শেষসারি ঘরে ফিরে গেছে একটু আগেই। দুএকটা শেয়াল ডেকেছে এদিক সেদিক থেকে। আমার ওই গুমোট ঘরটায় ফিরতে ইচ্ছে করছে না কিছুতেই। পর্ণা অতীতে টানছে আমাকে। আবার আমি ভিজছি সেদিনের মতো।

    সময়ের সুরে সুর মিলিয়ে পর্ণার বিয়ে হয়েগেল। বিয়ের আগে পর্ণা কাঁদল। পালিয়ে যেতে চাইল আমার সঙ্গে। বাঁচতে চাইলে অতীতে-স্মৃতিতে-স্বপ্নে। কিছুতেই কিছু হল না। পর্ণা আমার বুকের উপর আলতা মাখা পায়ের ছাপ ফেলতে ফেলতে চলে গেল। কয়েক মাসের ভেতর মা-ও চলে গেলেন। আমি সাড়ে তিন হাত জমিতে শান্তিতে বাঁচব বলে একমাথা বেকারত্ব আর কয়েক পেট খিদে নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম কলকাতা। কয়েক মাসের ভেতর বুঝতে পারলাম কলকাতায় সব আছে, মন আর মানুষ নেই শুধু। কত সুন্দরী কিন্তু একটাও মেয়ে নেই কলকাতায়।

    বুকের ভেতর অবিরাম পর্ণা পর্ণা একটা সুর বাজত। কিন্তু কলকাতার কোলাহলে কোথাও পর্ণার চিহ্নছিল না এক ফোঁটাও। সারারাত অচেনা হাতে মদের গ্লাস তুলে দিয়ে বেতন বাদে যা টিপস জুটত তাতে আমার চোখেও নেশা লাগত মাঝে মাঝে। গ্লাসের রঙিন তরলটাকে মনে হত, পর্ণার চোখ বেয়ে নেমে আশা ভালবাসার শেষ দিনগুলো।

আবার একদিন ফিরলাম গ্রামে। কাজও জুটে গেল রাতারাতি। পরিচয় হল টাটকা জেতা এম এল এর সঙ্গে বনলতা বারে। উনার কন্যার ভালবাসার প্রসাদ পাতে নিতে না নিতেই জন্ম নিল এক প্রাইমারি শিক্ষক।

Notun bangla choti … তৃতীয় অংশ

রাত এখন কটা বাজছে কে জানে। মোবাইল চার্জে দেওয়া আছে। ভোরের গন্ধ আসছে বাইরে থেকে। ঘুমটা ভেঙে গেল বিষাক্ত একটা স্বপ্নে। চোখে মুখে জল নিয়ে বাইরে এসে দাঁড়ালাম। পুরো গ্রাম কুয়াশার কম্বল মুড়ে ঘুমিয়ে আছে। হঠাৎ চোখ পড়ল দেবদারু গাছটার নীচে। পর্ণা। এই ভোর রাতে ও এখানে !

    কয়েক পা এগিয়ে গেলাম পর্ণার দিকে। কয়েক পা পিছিয়ে গেল ও। মনে হল আমার দুপায়ে চটিতে লালধূলা জড়িয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে মাথার উপর ভিড় করে এসেছে পলাশ-শিমূল-কৃষ্ণচূড়া বসন্ত।

‘পর্ণা তুমি এই ভোরে ?’

পর্ণার মুখে কোনও কথা নেই। আরও কয়েকপা পিছিয়ে গেল পর্ণা। পর্ণার সারা শরীর থেকে ভেসে আসছে পরিচিত পাগলা গন্ধ। চোখদুটোর অন্ধকার থেকে মাঝে মাঝে ঝিলিক দিচ্ছে হারিয়ে ফেলা দিনের আলো। আমার শরীরে জাগছে গোপন রাত্রির হিংস গভীর প্রেম।

‘পর্ণা…… ?’ এবারেও কোনও উত্তর দিল না পর্ণা। শুধু মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রইল কয়েক হাজার প্রশ্ন নিয়ে।

এরপর আমার আর কিছুই মনে নেই। জানি না কখন জড়িয়ে গেছি পর্ণার পাখায় পাখায়। দুহাত দিয়ে ছিঁড়ে দিয়েছি কয়েক বছরের আবরণ। শরীর দুটা গড়িয়ে যাচ্ছে লালধুলোতে। রক্তের ছিটেফোঁটা গন্ধ ধুলোর গায়ে। আরও আরও কুয়াশা বাড়ছে গ্রামের হৃৎপিণ্ড জুড়ে। এখন আমার শরীরে শুধু বন্যভালবাসা। পর্ণা উত্তেজনায় ছেড়েদিন ছেড়েদিন বলে চিৎকার করছে। কিন্তু ছাড়ার মতো মানসিক শক্তি নেই আমার এখন। আমি এখন স্বর্গের দোর গড়ায়। শেষ পর্যন্ত পর্ণা পরাজিত। নড়াচড়ার শক্তিও নেই ওর আর। শূন্য বিয়ারের বোতলের মতো অভিমানে পড়ে আছে। মুখে শব্দ নেই কিন্তু আদরের অত্যাচারে ওর খোলা বুক দুটো কাঁপছে এখনো। আবারও জাগছে আমার শরীর। পর্ণার বুকে ছাড়া আর কোথাও কোনও সাড়া নেই।

    দূরে কাদের যেন কোলাহল। ছোটাছুটি। কিন্তু আমার ক্ষমতা নেই পর্ণার গভীরতা পেরিয়ে আসার। আরও আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরছি আমি ওকে। আমি আরও আরও গভীরে হারিয়ে যাচ্ছি।

[৩]

এরপর যখন জ্ঞান ফিরল তখন আমি হাসপাতালের বিছানার। এক যুবা পুলিশের চোখের সামনে। ধীরে ধীরে শুনলাম সব। আমি ধর্ষণ করেছি। না পর্ণাকে নয় গ্রামের কাঠ কুড়ানি মেয়েটাকে। আমি জানি সব মিথ্যা সব সাজানো। আমি চিৎকার করতে যাচ্ছিলাম কিন্তু হঠাৎ খেয়াল করলাম নার্সের উজ্জ্বল পোশাকে পর্ণা দাঁড়িয়ে। আমি ডাকলাম, ‘পর্ণা ?’

কোনও উত্তর এল না। পুলিশ ছেলেটার একটা বাজে কথা কানে এল, ‘শালা পাগল। এবার ধরা না পড়লে পর্ণা পর্ণা করে আরও কটা মেয়ের সর্বনাস করত কে জানে।’

পুলিশটার কথা শুনে হাসছে পর্ণা। ওর মুখ থেকে, বুক থেকে বেরিয়ে আসছে পাগালা গন্ধ। আমার শরীরে আবার ঝড় উঠছে, আবার…  

[সমাপ্ত]

প্রেমের সেরা গল্প

 

Choti apps মোবাইলে রাখবেন না

আপনি যদি নিয়মিত চটি গল্প পড়েন তাহলে একটাই অনুরোধ বদ অভ্যাস ত্যাগ করুন। চটি গল্প বিকৃত মানসিকতার জন্ম দেয়। মাসে চার পাঁচটা গল্পের বেশি গল্প না পড়াই মঙ্গল। Notun choti golpo 2019 এ চটি গল্পের মান ডাউনে গেছে।

এই নীল রঙের লেখায় ক্লিক করুন

এখন যে ধরনের Notun choti golpo লেখা হচ্ছে তাতে শুধু অশ্লীল শব্দের বাহার গল্পে নেই কিছুই। Notun choti golpo কে আরও উন্নত মানের হতে হবে। নতুবা এই গল্পগুলো বাজে একটা সমাজের জন্ম দেবে তার বেশি কিছুই করতে পারবে না। Notun choti golpo যারা লেখে তাদের উচিত সমাজের কথা ভেবে লেখা। যাতে Notun choti golpo উত্তেজক হলেও অখাদ্য হবে না।

Sad Shayari photo গুলো দেখুন। চোখ ভরে যাবে। 

Durga puja 2019 details দেখুন এখানে

This website uses cookies.

Read More