Loading...
Loading...

New Bengali Story , Hatiyar

New Bengali story– হাতিয়ার। আপনি যদি Notun Bangla golpo পড়তে চাইছেন তাহলে This New Bengali Story for you. এক অন্যধারার গল্প হাতিয়ার। Notun Bangla golpo.

New bengali story Hatiyar

New Bengali Story
New Bengali Story

Bappaditya Mukherjee’s new bengali story, Hatiyar

হাতিয়ার
বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়

গতবার কলকাতা বইমেলাতেই মোটামুটি ভাবে জেনেছিলাম আমার কেন প্রেম উপন্যাসের জন্য আমাকে রেওয়া সাহিত্য সম্মান দেওয়া হবে। খুশির খবর। চিন্তারও যথেষ্ট।

আমার বাড়ি থেকে কলকাতা যাওয়া আসার খরচ কম নয়। লেখালেখি লাটে তুলে দিয়ে তখন নিজের ভাগ্যের পরিহাসে অন্যের ভাগ্যে বিপ্লব আনার জন্য লটারি বিক্রি করছি। বিয়ের পর-পরই হারিয়েছিলাম নবোদয় বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা। বুঝেছিলাম পেট পরম পবিত্র জিনিস। পেটকে এক বেলাও অবহেলা করা চলে না।


দুম করেই জুলাই মাসের শেষে আবার ডাক আসল নবোদয় থেকে। এবার ঝাড়খণ্ড নয়, পুরুলিয়া। আমার পায়ে পায়ে পরিচিত পুরুলিয়া। কলেজ জীবনের ডোরাকাটা পুরুলিয়া। কত বন্ধু, প্রেম, স্মৃতি, পরিবার। খবরটা শোনার পরই মনে পড়ল আদিত্যর মা-বাবার কথা। আদিত্যর মা-বাবা আমারও মা-বাবার মতো ছিলেন। কিন্তু আদিত্য পরিবার নিয়ে পুরুলিয়ার রয়ে গেলেও ওর মা-বাবা ফিরে গেছেন গ্রামের বাড়িতে। পুরুলিয়া নবোদয় থেকেই আদিত্যর সঙ্গে ওর গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম বিশ্বকর্মা পূজার দিন। ওরা বদলায় নি। অবাক হয়ে দেখেছিলাম বিপরীত সময় ওদের ছুঁতে পারেনি। একটা ছোট্ট মিষ্টির দোকান দিয়ে ওরা আবার বাঁচার মতো বেঁচে আছে।

আপনি কি খুব সহজে ব্লগিং শিখে ফুলটাইম বা পার্টটাইম রোজগার করতে চান? এই লিংকে যান।


পুরুলিয়াতে জয়েন করার পর বুঝতে পারলাম এখানে ছুটি চাওয়া-পাওয়া দুটোই কঠিন। যদিও সব নবোদয় বিদ্যালয়েই এই এক প্রথা। ছুটি বাদে সব পাওয়া যায়। কিছুদিন কাজ করার পর বুঝলাম পুরুলিয়া তেনুঘাট ঝাড়খণ্ড নয়। একলা বিকেলগুলো দুচোখ ঝাপসা করে দিত। ফোন করলেই শুনতাম মেয়ের এক কথা, বাবার কাছে যাব। কাজ করতেও উৎসাহ পাচ্ছিলাম না। আমার কলেজ জীবনের পুরুলিয়া খুঁজতাম, কিছুতেই খুঁজে পেতাম না। এত সপিংমল, ত্রিফলার ঝলমলে আলো, টোটোর অপ্রতিরোধ্য গতি আমার চেনা পুরুলিয়ার হৃদয় খেয়ে নিয়েছে, প্রথম দিনেই বুঝতে পেরেছিলাম।


বিকেল বেলায় চলে যেতাম কংশাবতী নদীর ধারে। নির্জনে। ওখানে বসে বুক পকেট থেকে হারানো পুরানো ছেঁড়া ফাটা পুরুলিয়াকে বের করতাম। স্মৃতির তাপে চোখে বাস্প জমা হত। আমি ডুবতাম পুরুলিয়া থেকে তেনুঘাট হয়ে আমার গ্রামে, আমার মেয়ের চোখে। নির্মাল্যদাকে ফোন করে বললাম আমার হয়তো অনুষ্ঠানে যাওয়া হবে না। হতাশ গলায় নির্মাল্যদা জানিয়েছিল যাদের জন্য এই আয়োজন তারা অনেকেই আসছেন না। নির্মাল্যদার পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতা আমারছিল কিন্তু আমার পরিস্থিতি বোঝানোর ক্ষমতা আমার ছিল না।


কাজ হারানোর দুবছরের ভেতর বুঝেছিলাম পেট বাদে আর কিছুই সত্যি নয়। সাহিত্য সুখের সময়ের সাময়িক অসুখ মাত্র। আমার মেয়ের চোখে চাহিদা ছিল না ও সামান্য চকলেট চাইত। সেটা দেওয়ার ক্ষমতাও অন্তত আমার কলমে ছিল না।


সব কিছু সত্যের পরেও রেওয়া সাহিত্য সম্মান আনতে যাওয়াটা যেন বিধাতার আদেশ ছিল। যে প্রিন্সিপ্যাল শুনেছি পরিবারের অসুখের দিনেও ছুটি দিতে পাঁচবার ভাবেন তিনি এক কথায় রাজি হয়ে বললেন, ‘বিলকুল যাইয়ে।’


দুই. New Bengali Story Hatiyar for your future


৬ আগস্ট কয়েক পকেট আবেগ আর উত্তেজনা নিয়ে বেরিয়ে গেলাম কলকাতার পথে। আগেই শুনেছিলাম অনুষ্ঠানে তিজন স্বনামধন্য সাহিত্যিক থাকবেন। তিন জনেই আমার পূর্বপরিচিত। প্রিয় মানুষ, প্রিয় লেখক। টোটোয় চেপে পুরুলিয়া জংশনের দিকে যখন রউনা দিয়েছি তখনো আকাশের মুখ ভার। গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি পড়ছে।


পুরুলিয়া এক্সপ্রেসে চেপে বসতে না বসতেই ট্রেন ছাড়ল। জানালার ধারে বসে দূরের দিকে তাকিয়ে আছি। বারবার মেয়ের মুখটা চোখে ভাসছে। ওকে বলেছিলাম রবিবার বাড়ি আসব। ও তখন রবিবার বুঝত না। ওর কাছে রবিবার মানে কিছুক্ষণ পরই।


ট্রেন নিজের গতিতে আমাদের ঝাঁন্টিপাহাড়ি স্টেশনও পেরিয়ে গেল এক সময়। ক্রমাগত ভিড় বাড়ছে। আকাশ এখন বেশ ঝলমলে। অনেক দূরের আকাশে নজর কাড়ছে একটা ঘূর্ণায়মান চিল। সত্যি বলতে কোনওদিন কোনও সাহিত্য অনুষ্ঠানে যাওয়ার তাগিদ পাই না ভেতর থেকে। অনেকেই ডাকে কিন্তু কেন জানি না ইচ্ছে করে না যেতে। আমি কলমে যেমন লিখতে পারি তেমন হয়তো কথা বলতে পারি না। বইমেলাতে গিয়েও দেখেছি পরিচিত কারুর সঙ্গে দেখা করতে ইচ্ছে করে না। মনে হয় নিজের মতো ঘুরে বেড়াই, লিখি এই ভাল। ভিড়ের ভেতরে আমি একা হয়ে যাই অনেক বেশি।


কয়েক মিনিট লেট করেই ট্রেনটা মেদনীপুর পৌঁছল। আমি জানালায় বাইরে তাকিয়ে যাত্রীদের ওঠা নামার হুড়োহুড়ি দেখছি। বেশ কিছুটা দূরে একটা ছেলে নিজের মনে একটা কাগজের ভেতর ডুবে আছে। বয়স ২২-২৩ এর বেশি হবে বলে মনে হচ্ছে না। কেন যেন আমার চোখদুটো ওকে নিয়ে পড়ল। ছেলেটাকে দেখার মতো কিছুই নেই তবুও আমি কয়েক সেকেন্ডের জন্য চোখ ফিরিয়ে আবার ওকেই দেখছি।


‘চা, চায়ে গরম… চা’ ‘টিফিন বলুন টিফিন…’ ‘পাওয়ার ব্যাঙ্ক আছে, এল-ই-ডি লাইট আছে…’ কত রকমের সুর তবুও ছেলেটা মুখ তুলে চাইছে না। এবার আমার মনে হল ছেলেটা কাগজটা পড়ছে না, কাগজের ভেতর কিছু একটা খুঁজছে। কী খুঁজছে তা আমার পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। এবার ট্রেনটা ছাড়ল। মুহূর্তের ভেতর প্ল্যাটফর্মের ধুলোবালি দমকা হাওয়ায় একটা পাক খেয়ে আমার মুখের উপর এসে পড়ল। কয়েক সেকেন্ড অন্ধকার দেখলাম সব। চোখদুটো প্রায় বন্ধ রেখেই ভিড় ঠেলে বেসিনের কাছে ছুটলাম। বেসিনের সামনে গিয়ে দেখি একটা ছেলে বেসিনে হেলান দিয়ে মোবাইল ঘাঁটছে। আমি রিকোয়েস্ট করতেই ছেলেটা গেটের দিকে সরে গেল। ট্রেনটা হুইসেল বাজিয়ে গতি নিচ্ছে এবার।


চোখে সবে একবার মাত্র জলের ঝাপটা নিয়েছি ঠিক তখনি কামরার সবার সঙ্গে আমিও শুনলাম ‘মা গো’ বলে বীভৎস এক চিৎকার। বুঝতে পারলাম কেউ একজন চাকায় তলিয়ে গেছে। আমি পাশ ফিরে আধ খোলা চোখ নিয়েই তাকিয়ে দেখলাম মোবাইল হাতের ছেলেটা আর দাঁড়িয়ে নেই। আমি দ্রুত আরও কয়েকবার চোখদুটোতে জলের ঝাপটা নিলাম। এতক্ষণে অনেকেই গেটের কাছে ছুটে এসেছে।


এবার ওই ছেলেটাকে দেখতে পেলাম। বাইরের দিকে ঝুঁকে বসে আছে ছেলেটা। মোবাইলটা পড়ে আছে বেসিনের নীচে। একপা এগিয়ে আসতেই যা দেখলাম সেটা লিখে বা বলে বোঝানো সম্ভব নয়। এই ছেলেটা জামার কলার ধরে আছে আরেকটা ছেলের। আর ওই ছেলেটা শূন্যে ভাসছে। মৃত্যুর থেকে কয়েক ফুট দূরে ঝুলছে ও এখন।


কাগজে মুখ গুঁজে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেটাই যে ওই ছেলেটা সেটা এতক্ষণে বুঝতে পেরেছি। আসলে পুরো ঘটনাটা কয়েক সেকেন্ডের ভেতর ঘটে যাওয়ায় সব কেমন যেন তালগোল পাকিয়ে গিয়েছিল। আমার হাত-পা এখন কাঁপছে। পা দুটোকে গুটিয়ে নিয়ে ছেলেটা ঝুলছে অদ্ভুত ভাবে। পা দুটো একটু নীচে নামলেই প্ল্যাটফর্ম ছুঁয়ে যাবে। আর প্ল্যাটফর্ম ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্বাভাবিক ভাবেই ট্রেনের চাকা টেনে-নেবে ওকে। একহাতের ক্ষমতায় ছেলেটাকে ভেতরে ঢোকানো সম্ভব নয় জেনেই ওকে ঝুলিয়ে রেখেছে এই ছেলেটা। কিন্তু এভাবে কতক্ষণ ! প্ল্যাটফর্ম পেরিয়ে গেলেই ইলেকট্রিক পিলারে জোর ধাক্কা খাবে ছেলেটা। ট্রেনটা গতি নিচ্ছে আরও। এবার বাতাস ধরছে ওর শরীরে। মনে হচ্ছে আর ওকে ধরে রাখতে পারবে না এই ছেলেটা। তাই আরও আরও শক্ত করছে হাতের মুঠো। দাঁতে দাঁত চাপা দিয়ে কাঁপছে এবার থরথর করে। যেন কিছুতেই ছাড়বে না ওকে।


ট্রেনের গেটের সামনে আরও ভিড় বেড়েছে। প্ল্যাটফর্ম শেষ হয়ে আসছে। একটা ইলেকট্রিক পিলার কয়েক ইঞ্চি দূর থেকে পেরিয়ে গেল। যেন হাত বাড়িয়েও ধরতে পারল না ছেলেটাকে। আর পা দুটোও মুড়ে রাখতে পারছে না ছেলেটা। এই ছেলেটার হাতও ভয়ানক কাঁপছে এবার। ফুলে উঠেছে কানের পাশের শিরাগুলো। শক্তিতে ভাটা পড়ছে। আমার মতো সবাই দর্শক। কারু সাহস হচ্ছে না হাত বাড়িয়ে ছেলেটাকে ভেতরে ঢোকাতে সাহায্য করার। পর পর ঝড়ের গতিতে একটা একটা ইলেকট্রিক পিলার পেরিয়ে যাচ্ছে এবার। এতক্ষণে কার যেন মাথায় এসেছে , ‘চেন টান চেন টান…’

A good quality of new Bengali story


আরও ত্রিশ সেকেন্ড এভাবেই কাটল। দু-একজন হাত বাড়িয়ে ঝুলন্ত ছেলেটাকে ধরার চেষ্টা করল, পারল না। ভেতরের ছেলেটাকে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করল, পারল না। কিছুতেই কিছু হল না। ট্রেনের গতি আর তুমুল বাতাস দুটো পরিকল্পনাই ভেস্তে দিয়েছে। ছেলেটার সঙ্গে মৃত্যুর দু-এক ইঞ্চি দূরত্ব রেখে ট্রেনটা ছুটছিল এতক্ষণ। এবার গতি কমছে ট্রেনটার…


তিন , All time best new bengali story


ট্রেনটা দাঁড়িয়ে পড়ার পরই ওই ছেলেটাকে ভেতরে আনতে পেরেছিল এই ছেলেটা। এতক্ষণে সবার হুশ ফিরেছে। ভিডিও করা তো দূর একটা ছবিও তোলা হয়নি। ফেসবুক কাঁপিয়ে দেওয়া যেত। ছেলেটার জীবন বাঁচিয়ে দেওয়ার পর সবাই যখন সেলফি নেবে বলে রেডি ঠিক তখনি জানি না কেন ছেলেটা নিজের মোবাইলটা কুড়িয়ে নিয়ে নেমে পড়ল ট্রেন থেকে। আমি ওর মুখটুকুও ভালকরে দেখার সুযোগ পেলাম না।


ফাঁকা মাঠের আল ডিঙিয়ে ছেলেটা হাঁটতে লাগল। ট্রেনটা আরও চলতে শুরু করেছে। সূর্যের নরম হলদে আলোয় ওই ছেলেটাকে কেন যেন ঈশ্বর বলে মনে হচ্ছে আমার। আমি আমার সিটে বসে এক দৃষ্টিতে ওই চলে যাওয়া ছেলেটার দিকে চেয়ে রইলাম। ট্রেন থেকে নেমে পড়ার কারণ হয়তো ওর কাছে অনেক ছিল। ট্রেনে দাঁড়িয়ে থাকার আর একটাও কারণ ছিল না ওর। আরও আরও দূরে কোথাও হয়তো ওর গন্তব্য। সবাই এখন এই বেঁচে যাওয়া ছেলেটাকে নিয়ে মেতে উঠেছে। ছবি তুলছে। ফেসবুকে দিতে হবে।


এখানেও ছবি তোলা চলছে। শুরু হয়ে গেছে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। মঞ্চ আলো করে বসে আছেন সাহিত্যিক সকল। শুনেছি উনাদের হাতের জাদুতে হাজার হাজার মানুষ মুগ্ধ। আমি সবার হাতের দিকে বেশ কয়েকবার করে তাকিয়ে দেখেছি। কিন্তু সেই শক্তিশালী হাতের ছায়াও নেই কারু হাতে। একটা হাত যা একটা পুরো পৃথিবীর ভার এক হাতে তুলে ধরে রাখতে পারে। মৃত্যুর মুখে হাত ঢুকিয়ে তুলে আনতে পারে গোটা একটা জীবন। একটা পৃথিবী। আমাকে মঞ্চে ডাকা হচ্ছে এবার।

New Bengali story presentation


আমিও সেই মহান মানুষ যাকে গলায় উত্তরীয় দেওয়া হল। হাতে তুলে দেওয়া হল পুরস্কার। আমি মঞ্চে দাঁড়িয়ে একবার নিজের হাতদুটো দেখলাম। সরু লিকলিকে ঘুণপোকায় খওয়া দুটো হাত। সবাই হাততালি দিচ্ছে। প্রতিটা তালি এসে পড়ছে আমার গালে। আমি এলোমেলো বকলাম মাইক্রো-ফোনের সামনে দাঁড়িয়ে। ‘আমার চোখে ধুলো ঢুকেছিল বলেই আমি ওই ছেলেটাকে বেসিনের সামনে থেকে…’

আমি এখনো মাঝে মাঝে অন্ধকারে আমার হাত দুটোকে দেখি। সেই হাতটাকে মনে পড়ে। সেই দিনের ঘটনাটা কতবার লিখেছি। কিন্তু প্রতিবার সেই হাতটা এসে মুছে দিয়ে গেছে লেখাটা। কিন্তু আজকে আর লেখাটা মুছবে না। আমি আমার হাতে লেগে থাকা ঘুণপোকাগুলোকে তাড়াতে শিখছি।


আমি এখন দেখতে পাই, আরও আরও অনেক বছর পর কোনও এক সাহিত্য পুরস্কার আনতে যাচ্ছি আমি। আমার হাতদুটো সুস্থ সবল স্বাভাবিক। যেকোনও পুরস্কার তুলে ধরে রাখার ক্ষমতা রাখে। ট্রেনের গতিকে তুচ্ছ করে আমি হাত বাড়িয়ে দিয়েছি ট্রেনের দরজা থেকে। আর আমার হাত ধরে ট্রেনের বাইরে থেকে উঠে আসছে চিরপরিচিত একটা হাত।

New Bengali Story– আজকাল কম লেখা হয় না, কিন্তু একটু অন্যরকম গল্প পেতে কে না চায়। New Bengali story র কিছু নমুনা দিলাম ১) পরিযায়ী ২) নেকড়ে মানব ৩) ফেরারি সময় ৪) বাংলা হট গল্প

Why people love new Bengali story ?

আধুনিক বাংলা গল্প পড়ার প্রধাম কারণ হচ্ছে গল্পের বাস্তবতা। আজকের দিনে কেউ উড়ো গল্প পড়তে পছন্দ করে না। this is the perfect reason why people love new Bengali story. A good quality new Bengali story change you life and thinking also. I Love new Bengali story because new Bengali story presentation is glorious.

Share

Recent Posts

Notun bangla chudi golpo 2020
  • Bangla choti
  • Choti golpo
  • Golpo
  • চটি গল্প
  • প্রেমের গল্প

Notun bangla chudi golpo 2020

Bangla chudi golpo:- ভাল গল্পের খোঁজে পাঠক দিনরাত ঘুরে বেড়ায় কিন্তু তেমন মনের মতো গল্প পায় না। আমাদের আজকের নিবেদন… Read More

3 days ago
Top 100 good morning flower images free download
  • good morning images

Top 100 good morning flower images free download

Top 100 good morning flower images free download. Good morning HD image with quotes, 100 good morning quotes. Good morning… Read More

1 week ago
Ishwar Chandra Vidyasagar Rachana for madhyamik and HS
  • সাহিত্য আলোচনা

Ishwar Chandra Vidyasagar Rachana for madhyamik and HS

Ishwar Chandra Vidyasagar Rachana is very important for all classes এবছর Madhyamik 2020 এবং Uchch Madhyamik 2020 এর জন্য Ishwar… Read More

1 week ago
bangla choties app download android
  • Bangla choti

bangla choties app download android

[smartslider3 slider=2] If you want to bangla choties app download android then please visit here. Bangla choties app available here.… Read More

1 month ago
bangla serial and bangla serial video
  • Bangla serial

bangla serial and bangla serial video

Bangla serial :- আপনি কি Bangla serial দেখতে বা Bangla serial video দেখতে খুব ভালবাসেন? তাহলে এই লেখাটা আপনার জন্য।… Read More

1 month ago
Bangla Kobita 1970-2020
  • Bangla kobita
  • Bangla Kobita abritti
  • Bangla love kobita

Bangla Kobita 1970-2020

Bangla kobita আশির দশক থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিভিন্ন ধারায় প্রবাহিত। বাংলা কবিতার দিক বদল হয়েওছে একাধিক শক্তিশালী কবির হাত ধরে।… Read More

1 month ago
Loading...