Love kobita bangla for every bengali poem lover’s

Love kobita bangla for every bengali poem lover’s

Romantic Bangla Kobita or love Kobita Bangla is very popular for every lover. we know about romantic love poem in Bangla language we say Bangla romantic Kobita .

here you will gate all about romantic Bangla Kobita. if you love someone and want to give some romantic moment has a wish, then you can give this poem as best gift poem is very popular to all people. If you want to Bengali romantic novel then visit another page.

and it this poem are very romantic then it will more popular we get some poems about love but these are not so romantic so reader do not get romance as they once for this reason here I have posted some romantic Bangla Kobita for every lovers. And I believe you love every bangla poem. 

Love kobita bangla for every bengali poem lover's

Love kobita bangla :-

সেই সন্ধ্যা

গোধূলি শেষে পাখিদের গাছে ফেরা হলে
সন্ধ্যা এসে পাতার ভিড়ে তারা এঁকে যায়
আকাশে । কিম্বা শিমূল গাছের পাতার ফাঁকে জোনাকি
যখন দেখি একাকী  ছাদের উপর-
ঘামে গলে যায় মনের রঙ । কানে ভাসে
গ্রাম্য নববধূর নতুন শেখা শাঁখের সুর ।
আনমনে অজান্তে বলি –
হতেও পারত সঙ্ঘমিত্রা এমন একটা সন্ধ্যা
তোমার আমার ।আমি ছাদে দাঁড়িয়ে চেটে নিতাম
তোমার প্রদীপালোক মুখ তুলসী তলার ।
যদি লক্ষ্মী পাঁচালীর সুরে মুখর করে দিতে মন
কীএমন পালাবদল হত জীবনে !
এখন বহুদূর গ্রামের টিম টিম করা আলোগুলো
চোখে জ্বলে, পাশের বাড়ির কন্যা শিশুর কান্না
কোন এক আমাদের হারানো গল্প বলে । এমন হলে
কী পরিবর্তন হত জীবনের আঙিনায় ?
শরীরের ধর্ম কী নষ্ট হত যদি তোমার আমার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে
কোনও এক কন্যা শিশু কেঁদে যেত বিছানায় ।
স্বপ্ন ঝলকানির মতো তারা খসে পড়ল আকাশে
জানি নতুন সংসার সমুদ্রে ঝাঁপ দিতে চাও তুমি
এমন সন্ধ্যায় খোলা আকাশের তলায় দাঁড়িয়ে
কখনো ভাবার সময় হয় নি পরিবার তোমার আমার।
ধীর পায়ে রাত আসে শেয়ালের নিভে যাওয়া ডাকে
তবুও যে দেখি বেঁচে থাকা কিছু স্বপ্নিল তারা কুয়াশার ফাঁকে ।

খেলা ঘর

আয়, দু’জনে নীরবে দু দণ্ড বসি
শেষবার পাশাপাশি নদীর বালির উপর
যেখানে আমার তোর ছেলে-মেয়ে বেলা
যেখানে শৈশব স্মৃতির কবর
আজ কথা বলার শক্তি হারিয়েছে দুটো মুখ,
হারিয়েছি পুতুল দিনের বর-বউ খেলা।
অসুখ সিক্ত নীরব চোখের তারাতে
আরও কিছু কান্নার হুল ফোটাতে,
আয়, দু’জনে নীরবে দু’দণ্ড বসি।
আয়, খেলার খেলা
এক দণ্ড আবার ভালবাসি।

If you love Bangla shayari or bangla sad shayari, then visit here :- Bengali romantic shayari

ডোরাকাটা পথ

সন্ধ্যা, তারা আঁকা তুলিতে শেষ রঙ দিলে দেখি হাতে হাত রেখে চলে যায়
যুবক যুবতী আরেক পৃথিবীর দিকে, পিঠে তাদের
জ্যোৎস্না পড়েছে। তোমার আমার মতই।
তোমার আমার মতই
প্রথম সূর্য ডোবা হতে এদেরও যাওয়া আসা ।
কাঁচা রাস্তার উপর।
তারপর । প্রীতির শেষ প্রহরে, পায়ের চিহ্ন
মুছে যায়, সময়ের নির্মম পিচে
অবশিষ্ট গন্ধ টুকু পড়ে থাকে হৃদয়ে হৃদয়ে ।

Bangla sad kobita for every real lovers

Bangla sad Kobita

আমার আমি
বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়

আমি বুকের ভেতর
বিরহ বিছিয়ে রাখি
আমি জ্যোৎস্না আতর
আঁজলা ভরে মাখি

আমি রাতের ঘরে
লালন বাউল গান
আমি চোখের ভেতর
কুমারী মেয়ের স্নান

আমি চুলের খোপায়
বুনো পলাশ ফুল
আমি শরীর নেশায়
এক টুকরো ভুল

আমি প্রেমিকা চোখে
অভিমানের ছায়া
আমি বিধবার শোকে
গর্ভ ভরাট কায়া

আমি কাজল কোনের
ফসিল নোনা জল
আমি কাঙাল দিনের
ধূসর স্মৃতির সম্বল

আমি পতিতা মেয়ের
ঝলসে যাওয়া প্রেম
আমি আলতা পায়ে
সতীত্বে মোড়া ফ্রেম

আমি ভ্রষ্ট মনের
নষ্ট দেহ চাঁদ
আমি সন্ত জনের
সুপ্ত শরীর ফাঁদ

আমি শৈশবে ভাঙা
তোমার খেলার পুতুল
আমি যৌবন রাঙা
তোমার দু’বুক ফুল

আমি সম্পর্ক সভ্যতার
মুখোশ পরিচয়
আমি আলোর আঁধার
সবার মনের ভয়।

আমি পথের ধূলায়
হারিয়ে যাওয়া দিন
আমি বিকেল বেলায়
হলুদ রাঙা ফড়িং

আমি বিরহের বনফুল
লাল সবুজে মাখা
আমি শেকড় ছেঁড়া মূল
মাটির কবর ঢাকা।

প্রেমের প্রান্তে

তুমি চলে গেলে
তারপর থৈ থৈ যৌন সমুদ্রে সাঁতার কেটে
পেরিয়ে গেছে পঞ্চাশটা বছর। মনে –
কতো মাকড়শার জাল, শ্যাওলা ধরা দেওয়াল
পুরানো ছেঁড়া ফাটা স্মৃতির ধূসর টুকরো
পড়ে আছে একটা বুড়ো অভিমান
কয়েকশো থুরথুরে ব্যথা । আধমরা রাগ,
আর-আত্ম প্রকাশের সুযোগ না পাওয়া
চোখের ভেতরের খানিকটা নোনা জলের দাগ।

আত্মঘাতী হামলা

আঙুলের ফাঁকে আত্মহত্যা রত বিপ্লবী সিগারেট
রেখে যায় কিছু গোপন আশা
ব্যথা বলে কিছু নেই, প্রাণপণ প্রতিশোধ
প্রেমিকারেই মতো
পুড়িয়ে পোড়াব বলেই
নিষ্ঠুর চুম্বনে এত গোপন ভালোবাসা ।

দ্বিতীয় গৃহ যুদ্ধ

অন্তরবাসী বধূর সাথে দিনরাত যুদ্ধ,
জয় পাবার পর ক্লান্ত শরীরে আদিত্য
মিত্রার কাছে এসে বলেছিল-
দু’চোখে ঘুম আঁকতে পারো মিত্রা
পারো যুগান্তরের মরু প্লাবন এক মুহূর্তে থামাতে !
বল পারবে কি আবার সাবানায় বৃষ্টি নামাতে?
ডানা ভাঙা চাতকের মতো থরথর করে
কাঁপছিল হাত, ঝরছিল অদৃশ্য রক্তের স্রোত শরীরে
চোখে গড়িয়ে নামছিল ক্ষুধার্ত অন্ধকার, তবু
আদিত্য বলেছিল বারবার-
বল পারবে কি বিবাহিত হালখাতা ফেলে
সাবানায় সবুজ বাড়ি বানাতে !
উত্তর দেয়নি মিত্রা ।
শান দিচ্ছিল তলোয়ার ।
এক গৃহ যুদ্ধে জয় পেয়ে আদিত্য
ঝাঁপাল দ্বিতীয় গৃহ যুদ্ধে আবার ।

Here Bangla hot story or bangla choti for you

একটাই লাইক
বাপ্পাদিত্য মুখার্জ্জী

এখনো ফুরিয়ে যায়নি আকাশ
বালিশের কোনে কিছু কথা ছড়িয়ে আছে
কানে ফিসফিস করে
তাই ঘুম চুরি যায় ঘুমন্ত স্ত্রীর পাশে
মাথা ঠুকে মরি এখনো
নোনাধরা সেই সব দেওয়ালে।
মনের ওয়ালে শুধু টিমটিম করে নিজের লাইক টুকু
কোনো কমেন্ট নেই কারুর
আমিও কমেন্ট করিনি কোনোদিন
কিছু কষ্টের কোনো কমেন্ট হয় না কখনো
শুধু একটাই লাইক পড়ে থাকে

All time hit Love kobita bangla

Bangla kobita photo

আসামী যেদিন আমি
বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়
১২-ই ফাল্গুন
শেষ পর্যন্ত সবার সন্দেহটাই মিলে গেল। মায়ের ব্রেন ক্যান্সার।
বিশ্বাস করুণ ত্রুটি রাখিনি চিকিৎসার। জমি থেকে ঘটি বাটি
যা ছিল সব হয় বন্ধক নয় বিকিয়ে গেল। মূর্খ নই বেকার বলে
জানতাম বাঁচবে না। তবু যে মা। যখন ঘোরের ভেতরে
মা ভুল বকত, দেখত বাবা এসে দাঁড়িয়ে আছে বিছানার ধারে।
দুহাত বাড়িয়ে নাকি ডাকত বাবা। কিংবা যখন যন্ত্রণায় মুক্তি
চেয়ে মা বলত, ‘হে কৃষ্ণ এবার নাও আর যে সহ্য হয় না’
তখন মায়ের দু’চোখ দিয়ে জল ঝরত দরদর করে।
ঘরে ফাটা পয়সা ছিল না আর। মায়ের চিকিৎসার কেমোথেরাপি খরচ,
ওষুধ, ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার গাড়ি ভাড়া, কিচ্ছু ছিল না।
তারাদের দিকে তাকালে দেখতে পেতাম- পড়ন্ত বিকেলে
মা চাপা কলের থেকে জল নিয়ে আসছে কলশি ভরে। কপালে
ঝিক ঝিক করছে সিঁদুরের টিপ। আমার খুব কান্না পেত।
আমি সারা রাত জেগে মায়ের যন্ত্রণাকাতর ঘুমন্ত মুখের দিকে
তাকিয়ে স্মৃতি সঞ্চয় করতাম। আগামীর একলা পথের জন্য।
২১-শে আষাঢ়
সকাল নটা নাগাদ মা নাকে তুলো গুঁজে ধূপের গন্ধ ছড়িয়ে
শেষ বার পায়ের পাতায় আলতা মেখে জীবনের ওপারে চলে গেল।
কয়েকটা মেঘ মাথায় নিয়েও যখন মায়ের নাভি মণ্ডল পুড়ে ছাই
তখন বিকেল চারটা পেরিয়ে গেছে। শুনলাম তিন পোয়া দোষ পেয়েছে মা।
চণ্ডীপাঠ করাতে হবে। সব কাজ যেদিন শেষ হল
তখন আমার নিজের ঠিকানা বলেও কিছুই রইল না। শেষ আশা
নিশা কবেই জানিয়ে গেছে, -‘বাবা সরকারি চাকরি করা ছেলে চায়।’
২৫-শে আষাঢ়
মেঘলা বিকেলে বেরিয়ে গেলাম রূপসীবাংলা এক্সপ্রেস ধরে খড়গপুর
ট্রেনেই পরিচয় হল কাদের ভাই এর সাথে। কাদেরভাই সেদিন আমার
বিনা টিকিটের ফাইন ভরে ছিল। তাঁর হাত ধরেই চাকুলিয়া এসেছিলাম।
তারপর ?
বিশ্বাস করুণ আমরা কেওই মানুষ মারব বলে জন্মাইনি।
অভাব অজুহাত স্বভাব যাই বলুন। বিশ্বাস করুণ বা নাই করুণ সত্যি সেদিন
মানুষ মারতে বোম ছুড়িনি। আমরা গুলিও চালাতাম না যদি না পুলিশ
মিথ্যে জালে কাদের ভাইকে ডেকে কপালে মৃত্যু এঁকে দিত। সত্যি
সেদিন চটকলে আমাদের কেও ধর্ষণ করেনি। সেদিন বৃষ্টি ভিজেও
রঞ্জিকা একটা দাবী নিয়ে লোলুপ নেতাদের কাছে গিয়েছিল। ও শুধু আমার
স্বপ্ন সঙ্গিনী ছিল না। ও ছিল কাদেরভাই এর পর আমাদের বিচক্ষণ দলনেত্রী।
যখন চটকল থেকে রঞ্জিকা রাতেও ফিরল না। আমরা গেলাম ভোর রাতে
গিয়ে দেখি রক্ত মাখামাখি রঞ্জিকা নিথর ভাবে ধূলায় পড়ে আছে।
সেদিন থেকেই বোবা দুটো চোখ দুমড়ে মুচড়ে গেছে জ্বলন্ত জীবন যন্ত্রণায়
১২-ই কার্তিক
আমার বন্ধুক থেকে তিনটা বুলেট চেটেছিল তিনটা কদর্য কপাল
ওই ছিল আমার প্রথম প্রতিশোধ। দূরের জঙ্গল দিকে চাইলেই যে দেখতাম
রঞ্জিকা সাঁওতাল শিশুদের বন্দুকের বর্ণপরিচয় শিক্ষা দিতে ব্যস্ত। ঝাপসা হয়ে
আসত আমার দু’চোখ। তারপর গোগ্রাসে হাঁড়িয়া গিলে টলে টলে
চলে যেতাম নদীটার ধারে। ডুবন্ত সূর্য টাকে দেখে মনে হত
মায়ের কপাল রাঙিয়ে যাওয়া সেই সিঁদুরের টিপ।
দূরের শেয়ালের সুরে পা ফেলে যখন সন্ধ্যা নামত কাজুবাদাম জঙ্গলে!
মনে পড়ত গ্রামের কথা, মায়ের কথা, নিশার কথাও।
২২-শে কার্তিক
কুন্তলের সাথে ভাত খেতে বসেছি সবে। সেদিনই ছিল আমাদের
আত্ম সমর্পণ করার দিন। নিজে এসে ধরা দিলে চাকরি। সঙ্গে নাকি
শাস্তিটাও মোকুব হয়ে যাবে। কিন্তু! মিনিট কয়েক বাদে কুন্তলের কপাল
বেয়ে রক্তের ধারা গড়িয়ে নামলো ভাতের থালায়। প্রায় তিন ঘণ্টা
গুলি ছোড়া ছুড়ি করে যখন অবশিষ্ট আমরা তিনজন শহীদ হতে বাকি
ওপার থেকে ভেসে এলো সমাচার আত্মসমর্পণ। নিরুপায় তখন
তাই একে একে ধরা দিলাম অন্ধ বিচারের বন্ধ পিঁজরায়। ধিক্কারে।
তারপর ?
২৪-শে কার্তিক
প্রবীণ বিচারক রায় দিলেন ৩০২ নং ধারায় কলমের করুণ মুখ ভেঙে।
ওরা কাঁদল। আমি হাসলাম। উন্মাদের মত হো হো করে হাসলাম।
উচ্চ আদালতে মাথা ঠুকিনি আর। এটাই আমার দারিদ্রতার শ্রেষ্ঠ বিচার।
১৫-ই অঘ্রাণ
কালকেই মিটে যাবে অভাবের যত নিদারুণ নির্মল জ্বালা। তাই তো
আমি এখনও হাসছি ধীর পায়ে এগিয়ে আসছি ফাঁসির দড়ির দিকে।
আমি ক্ষুদিরাম কিম্বা ভগৎ সিং নই যে আপনারা চিরদিন মনে রেখে দেবেন
জানি আমি,- দুদিন আমাদের নিয়ে শুধু ব্রে-কিং নিউজ তারপর পত্রিকাতেও ফিকে।
১৬-ই অঘ্রাণ
এখন দুহাত পিছনে বাঁধা। পাশে বিমর্ষ ফাঁসুড়েকে দেখা যায়।
গলার দড়িতে প্রিয় কলার গন্ধ পাচ্ছি পরিষ্কার।
কালো কাপড়ে মুখটাও এবার ঢাকা পড়ল। গলাটা বন্ধ হয়ে আসছে গরম নিশ্বাসে।
সামনে কেও নেই। অন্ধকার। বিশ্বাসে দাঁড়িয়ে আমার মা। হাত নাড়িয়ে ডাকছে আমায়।

কাজল কাজল দিন
বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়
তোর ওই চোখের পাতার
পাগলা বনে হারিয়ে গেছে মন
অশ্রু ঢেউ উথাল পাথার
আঁকড়ে আছি কাজল কালো কোন

যেদিন তুই থাকবি না আর
থাকব না আর আমি
বা