Loading...
Loading...

Chotoder golpo, প্রথম প্রভাত, এক অন্য ধারার গল্প।

Chotoder golpo

আপনি যদি অসাধারণএক chotoder golpo পড়তে চাইছেন তাহলে এই গল্পটা পড়ুন। এটা ছোটদের জন্য

অপূর্ব সুন্দর এক গল্প। যা আপনাকে অনেককিছু শিক্ষা দেবে।

Chotoder golpo হলেও এই গল্পটা ছোট বড় সকলকে আকৃষ্ট করবে৷ সবার ভাল লাগবে। শুধু অনুরোধ পুরো গল্পটা পড়বেন।

Chotoder golpo, প্রথম প্রভাত, এক অন্য ধারার গল্প।
প্রথম প্রভাত chotoder baro golpo
বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়
কুবু আর হেলি এই দুই ভাইবোনের সারাটা দিন কাটে রেইন ফরেস্টে ঘুরে ঘুরে শুকনো ডাল কুড়িয়েই। এছাড়া দ্বিতীয় কোনও রাস্তাও ওদের জন্য খোলা নেই। ‘বাবা’ বলে একটা শব্দ আছে এটা ওরা জানলেও বাবা নামের কোনও বস্তু বা ব্যক্তির মুখ ওদের মনে পড়ে না। মা যদিও বা আছে তবুও না থাকারেই সমান। ওদের মা বর্তমানে ইবোলা রোগে আক্রান্ত। হাত পা জুড়ে গরম তেলে পুড়ে যাওয়ার মতো বড় বড় ফোসকা। রাতদিন রক্তক্ষরণ হয়েই চলেছে। এই মারণ ছোঁয়াচে রোগটা কেন যে এখনো পর্যন্ত হেলি বা কুবুকে ছুঁতে পারেনি এটাই আশ্চর্যের। জন্মসূত্রে কুবু আর হেলি পশ্চিম আফ্রিকার লাইবেরিয়ার বাসিন্দা। লাইবেরিয়া শুধুমাত্র পশ্চিম আফ্রিকারেই নয় সমগ্র বিশ্বের দরিদ্র দেশ গুলির মধ্যে একটি। ১৮৪৭ সালের ২৬শে জুলাই লাইবেরিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাত থেকে স্বাধীনতা পেলেও দারিদ্রতার হাত থেকে মুক্তি পায়নি। দেশটির মোট আয়তন ৪৩০০০ বর্গ মাইল। জনসংখ্যা প্রায় ৩৯৫৫০০০। ১৯৮৯-১৯৯৬ পর্যন্ত লাইবেরিয়ায় যে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ হয় তাতে দেড় লক্ষ লোক মারা যায়। ভেঙে পড়ে দেশের অর্থব্যবস্থা। এমন দরিদ্র দেশেই জন্মেছে কুবু আর হেলি।
আজকে সন্ধ্যার সময় যখন দুই ভাই বোন ঘরে ফিরল তখন দুজনের পেটের ভেতরেই খিদের জোয়ার এসেছে। বনের ফলমূল খেয়ে সারাটা দিন কাটানো মুখের কথা নয়। মাথার উপর থেকে কাঠের বোঝাটা মাটিতে ফেলেই কুবু প্রায় দৌড়েই ঢুকল ঘরের ভেতর। ঘরের কোনায় রাখা টিনের কলশি থেকে বড় বাটির এক বাটি জল শেষ করে গিয়ে দাঁড়াল অসুস্থ মায়ের কাছে। মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে কান্না পেয়ে গেল কুবুর। কিন্তু কাঁদার মতোও সময় ওর এখন নেই। ওকে আবার কাঠের বোঝাটা মাথায় করে নিয়ে গিয়ে দিয়ে আসতে হবে সাকাইত নামের এক দোকান দারের কাছে। ওই কাঠের বোঝার বিনিময়ে যে কয়েক মুঠো চাল মিলবে সেটা দিয়েই রাত্রির আহার সারবে তিনটা প্রাণী। তাই আর দেরি না করে কাঠের বোঝাটা মাথায় নিয়ে বেরিয়ে পড়ল কুবু।
কুবু ঘরে ফেরার আগেই হেলি কাঠের উনুনে গোবরের শুকনো ডেলা দিয়ে আগুন ধরিয়ে রেখেছিল। কুবু চাল নিয়ে ফেরার পর হাঁড়ির জলে চালগুলোকে ফেলে দিয়ে ঘরের উঠোনে গিয়ে বসল দুই ভাই বোন। ফুটন্ত ভাতের গন্ধ না ওঠা পর্যন্ত অধীর আগ্রহে দুই ভাই বোনকে অপেক্ষা করতে হবে। যদিও এটা ওদের কাছে নতুন কিছুই নয়। যখন ওদের মা সুস্থ ছিল তখনো তো তাই করতে হত। ওরা দাঁতে দাঁত চাপা দিয়ে খিদেটাকে হজম করতে শিখেছে। এটা শুধু কুবু বা হেলিদের কথা নয়, লাইবেরিয়ার প্রায় প্রতিটা ঘরে ঘরেই এই দৃশ্য।
প্রতিদিনের মতোই আজকে রাতেও ভাত খওয়ার পর-পরই ঘুমিয়ে পড়েছিল দুই ভাই বোন। ওদের মা আজকে কিছুই মুখে দেয়নি বলেই একটা বাটিতে দু’মুঠোর মতো ভাত ঢাকা দিয়েই রাখা ছিল ঘরের কোনায়। হয়তো সেই ভাত টুকুর গন্ধেই মাঝরাতে ঘুমটা ভেঙে গেল কুবুর। উঠে দাঁড়াল কুবু। অন্ধকারেও ভাতের বাটিটা খুঁজে পেতে দেরি হল না ওর। কিন্তু অবাক হয়ে গেল বাটিটা হাতে তুলতেই। বাটিটাতে একটাও ভাত নেই! কুবুর আর বুঝতে বাকি রইল না। শুকনো মুখে চুপচাপ শুয়ে পড়ল আবার দিদির পাশে।
পাতলা ঘুমের ভেতর এক অদ্ভুত স্বপ্ন দেখতে শুরু করল কুবু। মানো নদীর চর দিয়ে স্কুলের দিকে ছুটে যাচ্ছে কুবু। পিছন থেকে হেলি চিৎকার করে মানা করছে কুবুকে ছুটতে। কুবু যেন কিচ্ছু শুনতে পাচ্ছে না। ওর পায়ে কে যেন হরিণের গতি ধরিয়ে দিয়েছে। ছুটতে ছুটতেই কুবুর মনে হচ্ছে ও চাইলে এখন উড়তে পারবে। এই গতিটাকে ভীষণ ভাল লাগছে কুবুর। এমন সময় হঠাৎ চোখ পড়ল একটা হরিণের উপর। গতিটা কম করতেই কুবু পরিষ্কার ভাবে দেখতে পেলো হরিণটাকে। ঘুমটা ভেঙে গেল কুবুর। সারা রাত আর ঘুম এলো না। দু’চোখের তারায় শুধুই ভেসে বেড়াল একটা বিশালাকার হরিণ।
পরেরদিন সকালে মানো নদীর তির দিয়ে জঙ্গলে যাবার সময় কুবু আর হেলি দুজনেরেই চোখ পড়ল একটা হরিণ পালের উপর। মানো নদীর চরে হরিণগুলো আপন মনে ঘাস খেয়ে যাচ্ছে। কুবু একবার নিচের দিকে তাকিয়ে দেখে নিল ওর পা দুটোকে। না, পা দুটোতে কোনও রকম অসামঞ্জস্য কিছুই চোখে পড়ল না। তবুও কেন যেন কুবুর বারবার মনে হল ও চাইলেই ওর পা দুটোতে হরিণের গতি আনতে পারে। একবার ইচ্ছেও করল কুবুর, কিন্তু হেলির মুখের দিকে তাকিয়ে দমে গেল ইচ্ছেটা। কুবু আরেকবার তাকিয়ে দেখল হরিণগুলোকে। হরিণগুলো তখনো আপন মনে ঘাস ছিঁড়ে যাচ্ছে। প্রতিদিনের মতোই আজকেও দুই ভাই বোন সাবধানে পেরিয়ে গেল নদীটা। মানো নদীর জলের গভীরতা কোথায় কম সেটা এতদিনে দুই ভাইবোন ভাল মতোই জেনে গেছে। বিস্তীর্ণ তৃণভূমির উপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে দুই ভাই বোন এসে দাঁড়াল প্রতিদিনের পরিচিত সেই রেইন ফরেস্টের সামনে।
নরখাদক চিতার থেকে শুরু করে ভালুক গেরিলা প্রায় সব ধরণের জন্তু-জানোয়ারেই এই রেইন ফরেস্টে আছে। তবুও হেলি আর কুবুকে প্রতিদিন আসতে হয় কাঠের সন্ধানে। জীবন রক্ষার তাগিদে জীবনের ঝুঁকি নিতে এই দুই ভাই বোন বেশ ভাল মতোই শিখে গেছে। তবুও এমন নিশানির্জন ভয়ঙ্কর জঙ্গলে দাঁড়িয়ে কুবু আর হেলির কানে এখনো বাজে স্কুলের প্রার্থনার সেই সুরটুকু, ‘অল হেইল, লাইবেরিয়া, হেইল!’ ওরা জানে ওরা আর কোনওদিন স্কুলের চৌকাঠ মাড়াবার সুযোগ পাবে না। ওরা এটাও জানে ‘বাংলা চো চো’ বললেও আর কোনও বাঙালী ওদের হাতে বিস্কুট তুলে দেবে না। একটা সময় ছিল যখন কুবু শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত কোনও বাঙালীকে দেখলেই ‘বাংলা চো চো’ বলে বিস্কুট চেয়ে নিয়ে আসত। প্রাচীন জুলু ভাষায় এই ‘চো’ শব্দটার অর্থ ‘দাও’। শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত সৈন্যরা অন্যত্র সরে পড়ায় ওদের দুই ভাই বোনকে খাবার জোগাড়ের তাগিদে বনের আঙিনায় আসতে হয়েছে। ২০০৪ সাল নাগাদ যখন রাষ্ট্রপুঞ্জের নির্দেশে বাংলা দেশের পদাতিক সৈন্যরা লাইবেরিয়ায় প্রথম আসে তখন কুবুর বয়স এক বছর পেরিয়ে কয়েক মাস মাত্র। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই কুবুর সখ্যতা বেড়েছিল শান্তিরক্ষায় নিযুক্ত বাঙালী সৈন্যদের সঙ্গে। কুবুর শৈশবের সাদা মনটায় বাংলা ভাষা নিজস্ব একটা ছাপ ফেলেছিল। জোড়া তালি দিয়ে বাংলা বলতে পারত কুবু। বেসুরে হলেও কুবু গাইত, ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি।’ বাংলা গানকে ভালবেসে কুবু বাংলা গান গাইত তা কিন্তু নয়। কুবু গাইত বাঙালীর মন গলিয়ে বিস্কুট আদায় করার জন্য। সেই সৈন্যরা কোথায় চলে গেছে জানে না কুবু। তাই এখন ‘চো’ ‘চো’ শব্দটা প্রায় ভুলেই কুবুকেও খাদ্যের জোগাড় করতে যেতে হচ্ছে হেলির সঙ্গে।
বেশ কয়েক ঘণ্টা গাছের শুকনো ডাল কুড়িয়ে বিশ্রামের জন্য যখন কুবু একটা গাছের নিচে বসে তখন কোমরে বেঁধে রাখা গামছা খুলে হেলি একটা টিফিন বাটি বার করে। কুবুর বুঝতে পারে ওতে গতকাল রাতের ভাতগুলোই রাখা আছে। ভাতগুলোকে দেখতে পেয়ে কুবুর চোখের পাতায় খুশির ঢেউ খেলে যায়। ভাইয়ের মুখটার দিকে তাকিয়ে হেলির চোখ দুটো ছল-ছল করে আসে।
সন্ধ্যায় ঘরে ফেরার পথে দুই ভাই বোন মাথার থেকে কাঠের বোঝা নামিয়ে মানো নদীর জলে পা ডুবিয়ে বসে। দূরের তারাগুলোর দিকে তাকিয়ে কুবুর মনে পড়ে স্কুলটার কথা স্কুলের বন্ধুদের কথা। জঙ্গলে জঙ্গলে ঘুরে কাঠ কুড়িয়ে বেড়াতে কুবুর এক্কেবারেই ভাল লাগে না। ওর ইচ্ছে করে আবার স্কুলে যেতে। কুবু মনে মনে ভাবে ও যখন বড় হবে তখন নিজেই একটা স্কুল বানাবে। অনেক অনেক রোজগার করে মাকে সারিয়ে তুলবে। প্রচুর গল্পের বই কিনে পড়বে। এমন আরও কত কিছুই না ভাবে কুবু।
ঘরে ফিরে প্রতিদিনের মতো মায়ের কাছে ছুটে যায় কুবু।  কিন্তু আজকে মায়ের কোনও সাড়া শব্দ পায় না। মা যেন জড়পদার্থের মতো কেমন নিথর হয়ে পড়ে আছে। এক ছুটে বেরিয়ে আসে কুবু দিদির কাছে। হেলি গোবরের শুকনো ডেলা উনুনের ভেতর গুঁজছিল নিজের মনে। মায়ের কাছে গিয়ে দাঁড়াতেই হেলির চোখে সব দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে যায়।

এই গল্পটি chotoder জন্য উপযুক্ত golpo

[দুই]
অনেকের ঘরেই সাহায্যের জন্য লোক ডাকতে গিয়েছিল কুবু। কেউ আসেনি। ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে মরা রুগীর কাছে আপনজন আসতে ভয় পায়, তায় এরা তো আপনও নয়। শেষ পর্যন্ত সারা দিনের সংগ্রহ করা কাঠ দিয়েই মায়ের শেষ কাজ অসম্পূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করতে হয় হেলি আর কুবুকেই। মায়ের আধপোড়া বীভৎস শরীরটাকে মানো নদীর ধারেই ফেলে রেখে আসে দুই ভাই বোন। এর বেশি ওরা আর কী করতে পারে! ভোরের দিকে হয়তো নেকড়ে বা চিতা এসে অসম্পূর্ণ কাজটা সম্পূর্ণ করে দিয়ে যাবে! লাইবেরিয়ার অনেক মানুষকেই এমন ভাবে ‘ইবোলা’ নামক মৃত্যু এসে পায়ে ধরে টেনে নিয়ে যায়। শিকারি চিতার মতো ইবোলা রোগের ভাইরাস বন্যপ্রাণীর শরীর থেকে মানব দেহে আসে মন্থর গতিতে। প্রথমে সামান্য ইনফ্লুয়েঞ্জা। তারপর জ্বর মাথাব্যথা, আর্থালজিয়া, বুকে ব্যথা, ডায়রিয়া, বমি, রক্তক্ষরণ কিছুই বাদ থাকে না। তারপর ? তারপর সব শেষ!
কুবুর জলে ভেজা দুই চোখের পাতায় একটা সময় ঘুম জড়িয়ে আসে। হেলির কোলে মাথা রেখেই ঘুমিয়ে পড়ে কুবু। হেলির ঘুম আসে না। ও সারারাত ধরে ভাইয়ের কোঁকড়ানো চুলে হাত বুলিয়ে যায়। এমন ভাবে দুই ভাই বোনকে একা ফেলে ওদের মা যে কোনও দিন চলেও যেতে পারে সেটা মনে হয় স্বপ্নেও ভাবেনি হেলি। নতুবা ওর চোখ বেয়েও কুবুর মতোই জল ঝরত আজকে। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়েই হয়তো আজকে রাতে ঘুম এলো না হেলির।
সকাল বেলায় ঘুম ভাঙার পরেই কুবু ছুটল মানো নদীটার দিকে। মাকে হারানোর তীব্র জ্বালাটাই হয়তো কুবু বা হেলি কারু ভেতরেই খিদের সঞ্চার ঘটতে দেয়নি এখনো। মায়ের মুখটা শেষ বারের মতো দেখার জন্য কুবু এসে দাঁড়াল নদীটার ধারে। বেশ কিছু আধপোড়া কাঠের টুকরো আর খানিকটা ছাই ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ল না কুবুর। আবার এক ঝাঁক নিঃশব্দ কান্না বেরিয়ে এলো অসহায় কুবুর দু’চোখ বেয়ে। দুহাত দিয়ে চোখের জল মুছতে মুছতে কুবু যখন নদীটার পশ্চিম পাড়ের দিকে তাকাল তখন তার বিস্ময়ের সীমা রইল না। কে বা কারা যেন তাঁবু টাঙিয়েছে নদীর চরে। দূর থেকে কাউকে দেখতে না পেয়ে কুবু কিছুটা এগিয়ে গেল। দেখল বেশ কিছু লোক গোল করে বসে আছে। হয়তো কিছু খাচ্ছে। ওদিকে যেতে কুবুর আর সাহস হল না। অনেক সময় চোরা শিকারিরা এমন ভাবেই দল বেঁধে এসে নদীর চরে ডেরা বাঁধে। ভয়ে ভয়ে পিছন ফিরল কুবু। আর পিছন ফিরতেই শুনতে পেল, ‘বাংলা চো চো।’ মুহূর্তের জন্য কুবু ভুলে গেল মায়ের মুখটা। ‘বাংলা চো চো’ শব্দটা শোনা মাত্রই কুবুর দু চোখে দেখা গেল এক নির্মল খুশির ঝিলিক। হরিণের মতো গতিতে নদীর বালির উপর দিয়ে ছুটে গিয়ে লোকগুলোর সামনে দাঁড়াল কুবু। গোল করে বসে থাকা লোক গুলোর ভেতর থেকে একজন উঠে এসে কুবুর হাতে বেশ কয়েকটা রুটি আর গুড় ধরিয়ে দিল হাসি মুখে।
দুটো রুটি দিদির জন্য রেখে বাকি কটা কয়েক মিনিটেই শেষ করে ফেলল কুবু। গোল করে বসে থাকা লোকগুলোর ভেতর থেকেই একজন কম বয়সী কুবুকে জুলু ভাষায় জিজ্ঞেস করল, কুবু বাংলা শিখতে চায় কিনা। হাসি মুখে ঘাড় নেড়ে সম্মতি জানাল কুবু। কুবুর সম্মতি পেয়ে আরেকজন কম বয়সী তাঁবুর ভেতর থেকে বিদ্যাসাগরের বর্ণপরিচয় বইটা এনে ধরিয়ে দিয়ে বলল কুবু যেন দুবেলা নিয়ম করে পড়তে আসে। আর যারা পড়তে আসবে তারা সবাই পেট পুরে খাবার পাবে।
সদ্য মা হারানো কুবু বা হেলির এখন এটুকুরেই দরকার। বর্ণপরিচয় বইটাতে আঙুল বোলাতে বোলাতে কুবুর চোখে ভাসছিল একটা নতুন সকালের প্রতিবিম্ব।
এক হাতে দুটো রুটি আর অন্য হাতে বিদ্যাসাগরের বর্ণপরিচয় বইটা নিয়ে যখন কুবু বাড়ি ফিরছিল তখন ওর অজান্তেই ‘অল হেইল, লাইবেরিয়া, হেইল’ সুরে আরেকটা গান বেরিয়ে আসছিল ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি।’ কুবুর মুখদিয়ে গানটা বেরিয়ে আসছিল শুধুই কি খাবারের জন্য ? না এর কোনও গভীর অর্থ আছে সেটা আমার সঠিক জানা নেই।
Golpo prochur lekha holeo chotoder jonno valo golpo sobai likhte pare na, tai chotora bonchito thake.
                               [সমাপ্ত]
Share

Recent Posts

Top 100 good morning flower images free download
  • good morning images

Top 100 good morning flower images free download

Top 100 good morning flower images free download. Good morning HD image with quotes, 100 good morning quotes. Good morning… Read More

1 day ago
Ishwar Chandra Vidyasagar Rachana for madhyamik and HS
  • সাহিত্য আলোচনা

Ishwar Chandra Vidyasagar Rachana for madhyamik and HS

Ishwar Chandra Vidyasagar Rachana is very important for all classes এবছর Madhyamik 2020 এবং Uchch Madhyamik 2020 এর জন্য Ishwar… Read More

4 days ago
bangla choties app download android
  • Bangla choti

bangla choties app download android

[smartslider3 slider=2] If you want to bangla choties app download android then please visit here. Bangla choties app available here.… Read More

4 weeks ago
bangla serial and bangla serial video
  • Bangla serial

bangla serial and bangla serial video

Bangla serial :- আপনি কি Bangla serial দেখতে বা Bangla serial video দেখতে খুব ভালবাসেন? তাহলে এই লেখাটা আপনার জন্য।… Read More

4 weeks ago
Bangla Kobita 1970-2020
  • Bangla kobita
  • Bangla Kobita abritti
  • Bangla love kobita

Bangla Kobita 1970-2020

Bangla kobita আশির দশক থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিভিন্ন ধারায় প্রবাহিত। বাংলা কবিতার দিক বদল হয়েওছে একাধিক শক্তিশালী কবির হাত ধরে।… Read More

4 weeks ago
Bangla choti part2 Mami choti
  • Bangla choti

Bangla choti part2 Mami choti

Bangla mami choti:- বাংলা চটি সাহিত্যেরই আরেক 'সম্পদ'। হীরে নয় কিন্তু কয়লার মতো যার কদর। ছেলে বুড়ো প্রায় প্রত্যেকেই Bangla… Read More

4 weeks ago