Bengali website

banglachoti golpo

banglachoti golpo যদি এই গল্পটার মতো হয় তাহলে পড়ার মজাই আলাদা। এমন banglachoti আপনি এর আগে পড়েন নি। গল্পটা পড়ে কমেন্ট করে জানাবেন।

আরো জোরে বিনু, আর-ও জোরে। কামড়ে খাও আমার সোনাটাকে। ওটা আজ থেকে তোমার।আমিও তোমার। আমার পিছনে আঙুল ভরে রক্ত বের করে দাও বিনু। আমি আর পারছি না। আমাকে ছিঁড়ে খাও…

Hot banglachoti golpo, মল্লিকা ম্যাডাম

Bangla choti golpo:- আজ সকাল থেকে অনেক দোকান ঘুরে শেষ পর্যন্ত বিনোদ একটা মনের মতো গিফট পেয়েছিল। আজ মল্লিকা ম্যাডামের জন্মদিন। সেই গিফট হাতে টিপটিপ বৃষ্টিতে বিনোদ বেরিয়েছে ম্যাডামের বাড়ির উদ্দেশ্যে।

মল্লিকা ম্যাডামের খুব প্রিয় ছাত্র বিনোদ। একটু বেশিই প্রিয়। আরও বেশি প্রিয় হতে পারত যদি বিনোদ একটু চালাক চতুর হত। বিনোদ পড়াশুনায় যত ভাল ততটা ভাল যদি বাস্তব জীবনে হত তাহলে… যাই হোক

মল্লিকা ম্যাডামের পুরো নাম, মল্লিকা রায়। উনি বড় বাগান উচ্চবিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষিকা। বয়স ৩৫ ছুঁলেও দেখে ২৫ ও মনে হয় না। শরীরে যৌবনের ঝড় বয়ে যাচ্ছে অবিরাম। স্বামী ইঞ্জিনিয়ার, দিল্লিতে থাকেন। শেষবার কবে এখানে এসেছেন সেটা মনে করতেও বিরক্তি বোধ করেন মল্লিকা ম্যাম। অমন স্বামী থাকা না থাকা সমান। মল্লিকা ম্যামের প্রতিটা রাত কাটে আঙুলের আদরে।

এলাকার ছেলেরা প্রথম প্রথম টুকটাক কথা ছোড়াছুড়ি করত, কিন্তু কোনওদিন কোনও উত্তর না পেয়ে হতাশ হয়ে কবেই থেমে গেছে। আসলে নিজের জ্বলন্ত যৌবনের জ্বালা মল্লিকা ম্যাডাম কোনদিন বাইরে প্রকাশ করেন নি, তাতে উনার শিক্ষিকার ইমেজ নষ্ট হবার ভয়। কিন্তু শিক্ষিকারও তো একটা শরীর আছে, মন আছে। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা দুটো টগবগে বুক আছে। কিন্তু শান্ত করবে কে?

-আমি বিনোদ…

-দাঁড়াও বিনোদ আসছি।

ম্যাডামের বাড়ির সামনে এসে হতবাক হয়ে দাঁড়ায় বিনোদ। কেউ কোথাও নেই। উপরের ব্যলকনিতে হালকা একটা নীল আলো জ্বলজ্বল করছে। অথচ আজ তো ম্যাডামের জন্মদিন। ফেসবুকে সবাই শুভেচ্ছাও জানাচ্ছে। তাছাড়া ম্যাম নিজে ফোন করে বিনোদকে নিমন্ত্রণ দিয়েছেন। ভাবনার ভিড়ে ঢুবতে থাকে বিনোদ। কেমন যেন ভয় ভয় করে ওর….

New banglachoti golpo hot

দরজা খুলে দাঁড়ান মল্লিকা ম্যাডাম। ম্যাডামকে দেখে আরও বেশি হতবাক হয়ে পড়ে বিনোদ। কোনদিন শাড়িছাড়া ম্যাডামকে দেখে নি বিনোদ। কিন্তু আজ জন্মদিনের দিনে এ কি পোশাক পরে আছেন ম্যাডাম….

কী হল বিনোদ দাঁড়িয়ে রইলে যে, ভেতরে এসো।

– ম্যাম আজকে তো আপনার জন্মদিন।

– হ্যাঁ তো। আর কথা বলেন না মল্লিকা ম্যাডাম। দরজা বন্ধকরে ভেতরে এসে সোফায় বসেন। বিনোদকেও বসতে বলেন।

-ম্যাম…

– কেউ নেই কেন এই তো? কারণ আর কাউকে নেমন্তন্ন করি নি। সবাই স্বার্থপর। নোটস আর নাম্বার হচ্ছে সবার লক্ষ্য। একমাত্র তুমিই আলাদা বিনু। দাঁড়াও আমি ঠান্ডা নিয়ে আসি।

একটা অচেনা ভয়ে না আনন্দে বিনোদের বুকের ভেতরটা কেমন যেন করতে থাকে, বিনোদ বুঝতে পারে না। এক্কেবারে পাতলা ফিনফিনে নাইট ড্রেস পরে আছেন মল্লিকা ম্যাডাম। সারা শরীরের সব ঢাকা কিন্তু কিছুই যেন আড়াল নেই। নাইট ড্রেস ফেটে বেরিয়ে আসতে চাইছে ম্যাডামের বুক দুটো। দুপাছা জুড়ে প্যান্টির রেখা পরিস্কারভাবে হাতছানি দিচ্ছে।

ম্যাডাম ঠান্ডা পানিয় আনতে গেলে বিনোদ ম্যাডামের পাছাগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকে। শরীরটা শিরশির করে ওঠে ওর। কেন ম্যাম কাউকে নেমন্তন্ন করেন নি, কেন ওকেই একা ডেকেছেন, কেন ম্যাডাম এমন উগ্র পোশাকে, আরও হাজার প্রশ্নের পাখি বিনোদের মাথায় কিচিরমিচির করতে থাকে।

cotigolp

– পুরো গ্লাসটা এক চুমুকেই নামিয়ে দাও বিনু। দেখি পারো কি না। ম্যাম নিজেও এক চুমুকে পুরো কাঁচের গ্লাস খালি করে টেবিলে নামান।

বিনোদ একবারে পারে না। দুবার সময় লাগে। ঠান্ডা, বরফের মতো ঠান্ডা। ঝাঁঝালো গন্ধ। বিনোদ ওর বাবার মুখে এমন গন্ধ বহুবার পেয়েছে।

– এটা কী ম্যাম।

– কেন ভাল লাগল না? বিরক্ত হয়েই জিজ্ঞেস করলেন মল্লিকা ম্যাডাম।

– না ম্যাডাম ভাল। কিন্তু… বিনোদ কিছু একটা বলতে গিয়েও ম্যাডামের চোখের দিকে তাকিয়ে ভয়ে বলতে পারে না।

– দাঁড়াও আরও নিয়ে আসি। কথাটা বলেই পাশের ঘরের দিকে ছুট্টে যান ম্যাডাম।

বিনোদ শুধু দেখে ম্যাডামের পাছাদুটো লাফিয়ে লাফিয়ে হারিয়ে গেল পর্দার আড়ালে।

  ঘরে ঢুকেই বড় লাইটটা বন্ধ করেন মল্লিকা ম্যডাম।  তারপর একটা ক্যান্ডেল দানিতে রাখা ক্যান্ডেলটা জ্বালিয়ে দেন। এতক্ষণ টেবিলের উপর নামিয়ে রাখা ক্যান্ডেল দানিটা বিনোদের চোখে পড়েনি।

হালকা মোমের আলোয় বিনোদ দেখে টেবিলের উপর দুটো বোতল নামানো। একটা সোডার, অন্যটার লেবেল তোলা রয়েছে।

মল্লিকা ম্যাডাম দুহাতে দুটো বোতল তুলে আবার দুটো কাঁচের গ্লাসকে ভর্তি করতে করতে বলেন, আমি তোমার মাকে ফোন করে তুমি আসার আগেই বলে দিয়েছি। তুমি অন্যান্য বন্ধুদের সঙ্গে আজকে রাতে এখানেই থাকবে। কালকে রবিবার, ক্লাস নেই। তাই কাল দুপুরের খাবার খেয়ে সন্ধের দিকে বাড়ি ফিরবে।

-কিন্তু ম্যাম…

– কোনও কিন্তু নয় বিনু। জন্মদিন আমার, তাই আমিই ঠিক করব কেমন করে পালন করব। আর তোমার কোনও বন্ধু এখানে নেই সেটা তুমি আর আমিই জানি। তোমার মা জানবেন না।

– কিন্তু ম্যাম…

– এত কিন্তু কিন্তু কেন করছ বিনু। আমার কাছে থাকতে তোমার ভয় কিসের? তাছাড়া আজ রাতের পর দেখবে তুমি নিজেই আমার কাছে থাকতে চাইবে মাঝে মাঝে। নাও নাও গ্লাসটা খালি করো। আমার খালি হয়ে গেছে।

Bangla choti golpo

বিনোদ কয়েক টুকরো রুটি আর কয়েক টুকরো মাংস খেলেও ম্যাডাম মাংসছাড়া কিছুই মুখে তুললেন নি। এখন আর ভয় ভয় করছে না বিনোদের। কোথাথেকে যেন সাহসের শক্তি সঞ্চার হচ্ছে শরীরে।

– তোমার এই গ্লাসটাই শেষ। তোমাকে আর দেব না। তুমি কেলিয়ে গেলে, আমি একা একাই পুড়ে মরব।

মল্লিকা ম্যামের কথা কিছুই বুঝতে পারে না বিনোদ। ম্যামের গলা কাঁপছে। হাত কাঁপছে। তবুও বিনোদকে এক গ্লাস দিয়ে বাকিটা নিজেই শেষ করে দেন। বিনোদ অনেক আগেই বুঝতে পেরেছে কী খাচ্ছে ওরা। কিন্তু কই মন্দ তো আর লাগছে না। বেশ ফুরফুরে লাগছে।

এখন খুব ইচ্ছে করছে ম্যামকে চুমু খেতে। কিন্তু এই কথা বলার সাহস এখনো হচ্ছে না।

– এই টিপটিপ বৃষ্টিতে গরমটা আরও যেন বাড়ল। উপরের ঘরে এসি আছে। দাঁড়াও স্নান আমি স্নান করে আসি। তার পর তুমিও স্নান করে নেবে।

বিনোদকে কিছু বলতে না দিয়েই পাশের বাথরুমে ঢুকে যায় মল্লিকা। বিনোদ ম্যামের স্নান করাটা নিয়ে কল্পনা করতে থাকে।

বিনোদ banglachoti golpo তে পড়েছে মেয়েরাও সব খুলে স্নান করে। আচ্ছা ম্যামও কী সব খুলে… ম্যামকে তাহলে হয়তো জলপরীর মতো লাগবে। দেখতে ইচ্ছে করে বিনোদের।

– বিনু ঘরের আলোটা না জালিয়ে আলনা থেকে আমাকে টাওয়ালটা দিতে পারবে?

মোমের আলোতে ম্যামের জলে ভেজা মুখ আর হাতটা দেখতে পায় বিনোদ। – দিচ্ছি ম্যাম।

অনেকক্ষণ খুঁজেও অন্ধকারে টাওয়াল খুঁজে পায় না বিনোদ।

– অন্ধুকারে পাবে না থাক। বাইরের সোফাতেই তোমার জামা প্যান্ট খুলে বাথরুমে চলে এসো, আমার হয়ে গেছে। আমি উপরে যাচ্ছি। তোমার হলে তুমিও উপরে চলে এসো।

বিনোদ জামা প্যান্ট পরেই বাথরুমের কাছে যায়। কী বলবে খুঁজে পায় না। এমন সময় বাথরুম থেকে পুরো নগ্ন অবস্থায় বেরিয়ে আসেন মল্লিকা ম্যাম। সারা শরীর থেকে দামী সাবানের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে ঘরে। – তোমার হলে উপরে চলে এসো। কথাটা বলেই টলতে টলতে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যান মল্লিকা ম্যাম।

বিনোদ উত্তেজনায় কাঁপতে থাকে। ম্যাম এত সুন্দরী-ঈ-। মনে মনে ভাবে বিনোদ। তারপর বিনোদ তাকিয়ে দেখে, ম্যামের ভেজা পাছা দুটো মোমবাতির আলো পড়ে চাঁদের মতো জ্বলজ্বল করছে। বিনোদ হাঁ করে তাকিয়ে থাকে।

এমন সময় মল্লিকা ম্যাম সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে হঠাৎ  পিছন ফিরে তাকান। তারপর খিলখিল করে হাসেন। বিনোদ দেখে ম্যামের ঠোঁটেও আলো পড়েছে। ধরা পড়ে লজ্জায় পিছন ঘুরে দাঁড়ায় বিনোদ।

– বিনোদ শুনে যাও।

আবার সারা শরীর কেঁপে ওঠে বিনোদের। জাঙ্গিয়াটা যেন ছিঁড়ে যাবে এবার। তবুও নিজেকে শান্ত রেখে ম্যামের কাছে যায় বিনোদ। মাথা নিচু করে দাঁড়ায়। ম্যাম কিছু না বলে এক চান্সেই বিনোদের বাবুটা ধরে ফেলেন। থরথর করে কেঁপে ওঠে বিনোদ। – বাথরুমে গিয়ে শুধু স্নান করবে। এই সোনাটায় এক্কেবারেই হাত দেবে না, নতুবা আমি খুব রেগে যাব। বিনোদের বাবুটাতে একটু ঝাঁকুনি দেয় মল্লিকা। বিনোদ শুধু হুঁ বলে। আর কোনও কথা না বলে সোজা উপরে উঠে যায় মল্লিকা।

বিনোদ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে। জামাপ্যান্ট খুলে সোফায় রাখে৷ জাঙ্গিয়াটা খুলতে গিয়ে দেখে, জাঙ্গিয়াটা ভিজে চ্যাটচ্যাট করছে।

Notun Bangla Choti golpo 

বাথরুমে ঢুকেই বিনোদ দেখে। ম্যামের নাইট ড্রেসটা পড়ে আছে। প্যান্টিটা ঝুলছে। প্যান্টি থেকে গাড় রস রস ঝুলছে এক ফোঁটা। পুরো প্যান্টিটাই চ্যাটচ্যাটে রসে ভেজা।

কয়েক সেকেন্ড কীযেন চিন্তা করে বিনোদ, তারপর ম্যামের প্যান্টিটা হাতে নেয়। আঁ-হ মিষ্টি উগ্র গন্ধে ভরে আছে প্রজাপতির ডানার মতো প্যান্টিটা। আর থাকতে পারে না বিনোদ। চোখ বন্ধ করে জিব দিয়ে চাটতে থাকে প্যান্টিটা। প্যান্টিতে চিটে থাকা দুএকটা ছোট চুল বিনোদের জিবে লাগে। বিনোদ আঙুল দিয়ে চুলগুলো জিব থেকে সরায়। চোখ খুলতেই ইচ্ছে করে না।

যখন চোখ খোলে তখন দেখে, বাথরুমের দরজা আগলে ম্যাম দাঁড়িয়ে। উনি হাসছেন। বিনোদের খেয়াল নেই যে, ও বাথরুমেও দরজাটাও লাগায় নি।

হাসতে হাসতে বাথরুমে ঢোকেন মল্লিকা। জোরে সাওয়ারটা চালিয়ে দিয়ে বিনোদকে জড়িয়ে ধরেন। বিনোদের বুকটা মল্লিকার গরম তুলতুলে আগুনে মোমের মতো গলতে শুরু করে। বাবুটা যেন ছিঁড়ে যেতে চাইছে। আর আঁটকে রাখতে পারছে না আপরিনত বিনোদ।

– ম্যাম আমার বেরিয়ে যাবে এবার।

– ও মাই গড… বলেই দুম করে হাটু গেড়ে বসে পড়েন মল্লিকা। তারপর বাঁ হাতে ধরে এক ঝটকায় বিনোদের বাবুর মুখটা খুলে দিয়ে নিজের মুখে ভরে চুষতে শুরু করেন। বিনোদ ছটফট করে ওঠে। দুহাতের আঙুল দিয়ে মল্লিকার চুলের মুঠি টেনে ধরে থাকে বিনোদ। মল্লিকা পাগলির মতো চুষে যায়। কয়েক সেকেন্ড পর থরথর করে কেঁপে ওঠে বিনোদ। মল্লিকা সবটুকু শুষে খেয়ে, উঠে দাঁড়ায়। সাওয়ারে মুখটা ভেজাতে ভেজাতে বলে, বিনু, তুমি আমার প্যান্টিটা চুষলে কী আমি শান্তি পাবো। আমার সোনাটাকে চুষে, কামড়ে আমাকে শান্ত করে দাও লক্ষীটি। তারপর চলো উপরে গিয়ে বিছানায় তোমাকে সব শেখাবো। তোমাকে সব শিখতে হবে।

কথাটা বলেই মল্লিকা বিনোদকে জোর করে টেনে বসিয়ে দুহাত দিয়ে বিনোদের মাথাটা চেপে ধরে। তারপর নিজেই নিজের সোনাটাকে বিনোদের ঠোঁটে ঘষতে শুরু করে। কয়েক সেকেন্ড পর। বিনোদ নিজেই পাগলের মতো মতো চুষতে শুরু করে মল্লিকা ম্যামের রসে ভেজা তুলতুলে সোনাটাকে। মল্লিকা ম্যাম পাগলির মতো উহ আহ করতে এক হাতে বিনোদের মাথাটা ধরে থাকেন, আরেক হাতে নিজের উদ্দাম বুক দুটোকে খামচাতে থাকেন।

বিনোদ নরম উরুর চাপে আর গরম রসের স্বাদে পাগল হয়ে মল্লিকার পাছা দুটো দাবাতে শুরু করে।

– আরো জোরে বিনু, আর-ও জোরে। কামড়ে খাও আমার সোনাটাকে। ওটা আজ থেকে তোমার।আমিও তোমার। আমার পিছনে আঙুল ভরে রক্ত বের করে দাও বিনু। আমি আর পারছি না। আমাকে ছিঁড়ে খাও।

– ম্যাম আমারটা আবার ছটফট করছে।

– ম্যাম না মলি বলো আমাকে সোনা। বাবুটা ছটফট করবেই তো সোনা। তোমার মলি যে পাগলি হয়েছে। চলো উপরে যাই।

আরও পড়ুনঃ- bangla choti story

আরও পড়ুনঃ- Bengali Shayari


এই banglachoti golpo টির পরের অংশ পড়তে চাইলে এই ওয়েবসাইটের ডানদিকের বেল আইকনে চাপ দিয়ে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন। পরের অংশটা আরও জমবে। প্রকাশ হলেই আপনি জানতে পারবেন। এই সাইটে আরও দারুন দারুন  cotigolp আছে আপনি চাইলে সেই cotigolp গুলোও পড়তে পারেন।

আরও পড়ুনঃ- bangla chudi golpo

Spread the love
Exit mobile version