X

চটি গল্প যদি পড়েন তাহলে, উন্নত হোক আপনার চিন্তা। আলোচনা হোক গভীরে

Bangla choti গল্প শরীরকে উত্তেজিত করে দেওয়ার মতো একধরনের গল্প, এ আমরা সবাই জানি। কিন্তু কেন Bangla choti golpo আমরা পড়ব বা পড়ব না সেটা জানা দরকার।

Bangla Choti- মল্লিকার মন

Bangla choti

মল্লিকা আমাদের স্কুলের মেয়ে। স্কুলের মেয়ে বলছি কারণ এর আগে কোনদিনেই ওর সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব ছিল না। ক্লাস নাইন থেকে ওকে হাঁ করে দেখে আসছি। মল্লিকাকে দেখলে যেকোনও অতিবিবেকবান মহারথী পুরুষও ভোর রাতে কল্পনায় ইয়ে করতে বাধ্য। মল্লিকার চোখ দুটো শুধু যে ডাগর তাই নয়, বেশ টানা টানাও। যেমন গায়ের রঙ তেমন ফিগার। পিছন থেকে দেখলেও বুকের ভেতরটা রাক্ষস হতে চায়।

ক্লাস ইলেভেনে ওকে প্রথম নাচতে দেখেছিলাম। তার আগে জানতাম না যে ও নাচ জানে। এত ভাল নাচ জানে বা নাচ শিখেছে সেটা জানার কথা যদিও আমাদের নয়। যাই হোক। সেদিন প্রথম মল্লিকার শাড়ির আড়াল থেকে ওর পেট আর নাভি দেখেছিলাম। বিশ্বাস করুন ঘুম হত না। শুধু রাত নয় দিনেও দুএকবার করে রাজকুমারকে শান্ত করতে হত। মল্লিকার জন্য আমার জাঙিয়া সারাক্ষণ ভেজা থাকত।
কালের স্রোতে একদিন মল্লিকা হারিয়ে গেল। ও ভর্তি হল মেয়েদের কলেজে। তারপর পড়তে চলে গেল কলকাতা। আর দেখার উপায় রইল না। প্রায় বছর আটেক পর মল্লিকাকে আবার দেখলাম। আমি ওকে প্রথম দেখেই চিনতে পেরেছিলাম। মিল্লিকাও চিনতে পেরেছিল, ওর ঠোঁটের হাসির রেখা দেখেই বুঝেছিলাম।

চটি গল্প

Bangla choti- মল্লিকার মন (উত্তেজক অংশ শুরু)
ও একটা কাজের আশায় আমার অফিসে এসেছিল। না অভাবের জন্য নয় সরকারি নিয়োগ বন্ধ এটা একটা কারণ আরেকটা ও দ্রুত নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাইছিল। আমার একান্ত ইচ্ছায় মল্লিকার চাকরি হয়ে গেল। এখন মল্লিকা দেখতে হয়েছে মাখনের মতো। ঠিক যেন চিনামাটির দামি প্লেটে সাজিয়ে বেড়ে রাখা গরম ঘি-ভাত। মনের মতো মাছ মাংস সব্জি দিয়ে খেলেই হল। মল্লিকাও আর আগের মতো নেই। দুষ্টু চোখে তাকাতে শিখেছে।
সেদিন অফিস শেষে আমার সঙ্গেই ফিরছিল মল্লিকা। চোখে মুখে কথায় দুষ্টুমি। নিজেই বিয়ের প্রসঙ্গ তুলে দুম করেই জিজ্ঞেস করে বসল,- টাকা পয়সা গাড়ি বাড়ি সবই তো হল, এবার পানু দেখা বন্ধ করে বিয়েটা করে ফেল একটা ভোজ খাই।
আমি প্রথমটায় ওকে কী বলব খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আমি কল্পনাও করিনি ও এভাবে দুম করে এমন কথা বলে দেবে। আমি কিছু বলার আগেই ও আবার বলল,- বিয়ে কর বিয়ে কর সময়ে জিনিসের ব্যবহার না হলে ভোঁতা হয়ে যাবে। কথাটা বলেই খলখিল করে নিজেই হেসে উঠল। আমি হাসব না কি করব কিছু বুঝতে না পেরে দুম করে একটা বেফাস কথা বলে বসলাম, ভোঁতা হতে না দেওয়ার ভারটা তুই নিজেই তো নিলে পারিস।
এক মুহূর্তের জন্য গুম হয়ে পড়েছিল মল্লিকা। তারপর নিজেকে স্বাভাবিক করে বলল,- তোর জিনিস ভাল রাখতে গিয়ে আমার জিনিস কেন খারাপ করব শুনি ? মল্লিকা ডাগর চোখে তাকাল আমার দিকে। বিকেলের পড়ন্ত রোদ ওর গালের লালিমা বাড়িয়ে তুলেছিল আরও।
মল্লিকা টের পাচ্ছিল কি না জানি না আমি ভেতরে ভেতরে গরম হচ্ছিলাম। উষ্ণ লাভা গড়িয়ে নামছিল পর্বত মুখ থেকে। আর থাকতে না পেরে মল্লিকার হাত ধরে বলেই ফেললাম, ‘আমার হবি ?’
মল্লিকা যেন জানত আমি এমন কথাই বলব। একবিন্দু বিচলিত না হয়ে বলল, ‘বিয়ে ?’
– হ্যাঁ ? করবি বিয়ে আমাকে ?
– না বাবা বিয়ে টিয়েতে আমি নেই। অন্যকিছু হলে ভাবতে পারি।
-অন্যকিছু ? অন্যকিছু মানে ?
-তুই বাল বাচ্চা নাকি ? ওটা তো দাঁড়িয়ে গেছে দিব্বি, ছটফট করছে হয়ত। আর অন্যকিছু মানে বোঝো না বাল ?
এই মল্লিকা যেন সেই স্কুলের মল্লিকা নয়। এর কথাবার্তা হাবভাব চালচলন সব কেমন যেন আগুনের মতো। ভয় হয় হাত দিয়ে পুড়ে যাব না তো ?
-বিয়ের বাইরে ইয়ে করলে তোর টিয়েটা মারা যাবে বুঝি ?
এবার সত্যিই না হেসে পারলাম না। মল্লিকাও হাসল এবার।
এতক্ষণ খেয়ালছিল না যে আমরা হাঁটতে হাঁটতে জয়পুরের দিকে চলে এসেছি। এদিকটা বেশ শান্ত, নির্জন। শাল মহুয়ায় মাখামাখি। কেউ কোথাও নেই দেখেই মল্লিকার হাতে জোরে টান দিলাম। এক্কেবারে অচমকা টানে হচকচিয়ে আমার বুকের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল মল্লিকা। ওকে কিছু বুঝতে দেওয়ার আগেই ওর বাম-পাছাটা জোর করে চাপদিয়ে ধরে টেনে কয়েক সেকেন্ড কিস করলাম। দু-এক সেকেন্ডের ভেতর নিজেকে সামলে নিয়েছিল মল্লিকা। আহত বাঘিনির মতো আমার টিশার্টের ভেতর হাত ঢুকিয়ে খামচে ধরল আমার কাঁধের নিচের অংশ। আমিও পিছনের হাত সামনে এনে ওর লেজিন্সের ভেতর দিয়ে একবার ঢুকিয়েই বের করে নিলাম। পরিচিত যেকেও চলে আসতে পারে। তাছাড়া এই এলাকায় আমার একটা সম্মান আছে।
শুধু পাগল করা নরম। পিছলে যাওয়া সিক্ত অমৃত ভাণ্ডের পথ। যেন শিল্পীর সুনিপুণ পরিচর্চায়, কোনও ঘাস নেই। আহা, ইচ্ছে করে জিব দিয়ে আগলে রাখি আজীবন।
Bangla choti- মল্লিকার মন (গভীর থেকে গভীরে)
আজকে সন্ধায় মল্লিকার আমার ফ্ল্যাটে আসার কথা। এদিকে বিকেল থেকেই শুরু হয়েছে ঝমঝম বৃষ্টি। মল্লিকাকে ফোনেও পাচ্ছি না। নট রিচেবল আসছে। রবিবার তাই অফিসের ব্যাপার ছিল না। কালকের দিনটাও দুজনে ছুটি নিয়ে রেখেছি। মল্লিকা বলেছে একদিনে মন ভরবে না। অন্তত দুটো রাত একটা দিন চাই। এই কটাদিন কিভাবে কাটিয়েছি আমি জানি। মল্লিকা সারারাত ফোনে ফোনে আমাকে শান্ত করেছে।
নটা বাজল অথচ মল্লিকার কোনও খবর নেই। ফোনও লাগেনি। হোম ডেলিভারির ছেলেটা অনেক আগেই খাবার দিয়ে গেছে। এতক্ষণে খাবার ঠাণ্ডা হয়েগেছে নিশ্চয়। আরও কুড়ি মিনিট পর কলিংবেল বাজল। বুকের ভেতরটা উত্তেজনায় কেঁপে কেঁপে উঠল কয়েকবার। হড়বড় করে প্রায় ছুটে গিয়েই দরজা খুললাম। মল্লিকা। পুরো ভিজে জড়সড় হয়ে গেছে। দরজা খুলতেই আমাকে সরিয়ে নিজেই ভেতরে ঢুকল মল্লিকা।
-গামছা দে গামছা দে। শালা কী বৃষ্টি মাইরি। কথা না দিলে আজ কিছুতেই আসতাম না। জ্বর না এসে যায়।
আমি আনন্দে দিশাহারা। মল্লিকা আসবে না ধরেই নিয়েছিলাম। দ্রুত ঘরের ভেতরে ঢুকে গামছা এনে দিলাম। বললাম,- স্নান করে নে। বৃষ্টির জলে ভেজার পর স্নান করে নিলে জ্বর আসার চান্স প্রায় থাকে না। মল্লিকা আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল,- আমার পড়া যাবে তেমন কিছু বের কর। বাথরুমটা দেখিয়ে দে। অমন হাঁ করে তাকিয়ে থাকিস না প্লিজ, দুদিন আছি। মন ভরে দেখিস।
মল্লিকা বাথরুমে যাওয়ার পরেও আমি ঠাই দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টিতে ভিজে মল্লিকার সালোয়ার ওর শরীরে চিটে গেছে। সারা মুখে মুক্তোর মতো জলের বিন্দু। ঠোঁটে পিপাসা। বুকে পিপাসা। নিতম্বে অচেনা গভীরের আহ্বান। আর থাকতে পারছি না কিছুতেই। যেন এভাবে একটা মিনিটও থাকা মানে অসাধারণ কষ্ট উপভোগ করা মাত্র। আর বাথরুমের কাছে গিয়ে দরজায় টোকা দিলাম। ভেতর থেকে উত্তর এল,- সাবানটা অন্তত মাখতে দে।
-যদি আমি মাখিয়ে দি।
আর উত্তর এলনা। খুলে গেল বাথরুমের দরজা। এত রূপের আলোয় অন্ধ হয়ে গেলাম আমি। সাওয়ার থেকে জল পড়ছে। খোলা চুলে ভিজছে মল্লিকা। ওর সারা শরীর বেয়ে মুক্তো দানার মতো জলের রেখা যেন পিছলে পড়ছে। আমাকে ভ্যাবলা হয়ে যেতে দেখে খিলখিল করে হেসে মল্লিকা নিজেই আমাকে বুকে টেনে নিল। আমাকে বিবস্ত্র করল নিজেই। তারপর দুহাতের জাদুতে আমার চুলের মুঠি ধরে আমার মুখ ডুবিয়ে দিল ওর বুকের জোয়ারে। আমি ভাসতে লাগলাম। যখন একটু চেতনা ফিরল তখন মল্লিকা আমার রাজকুমারের মাথায় আদর করছে জিব আর ঠোঁটের উষ্ণতায়। আমি পাগল হচ্ছি।
এখনো ঝর্ণার মতো ঝিরঝির করে জল পড়ছে মল্লিকার পিঠে। ও এখন চেপে বসেছে আমার মুখের উপর। আমি শুষে নিচ্ছে জমানো মধু আছে যত।
এখন উষ্ণতা উষ্ণতা আর উষ্ণতায় হারিয়ে যাচ্ছি আমি। একবার মল্লিকা উপরে একবার আমি। যেন যুদ্ধে মেতেছি দুজনে। আদিম যুদ্ধে। পবিত্র সৃষ্টির যুদ্ধে। মল্লিকার দামাল বুক দুটো লাফিয়ে লাফিয়ে উঠছে। আমি কামড়েছি, শান্ত হয়নি তাও। নিতম্বের কামড়েছি। মাখনের চেয়েও নরম যেন। খাবারের কথা মনে নেই আর। এখন মল্লিকা আমার খাবার আর আমি মল্লিকার।
রাত বাড়ছে। ক্লান্ত হচ্ছে শরীর তবুও শান্ত হচ্ছে না মন। আজ সব ক্লানি ধুয়ে মুছে যাক। হোক সব শুদ্ধ। দুবার হয়েছে সারা। এবার শুরু হোক তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ।

আরও বেশি হটি গল্প পড়তে চান?  Click here

Bangla choti… এমনি এমনিই আমাদের শরীর গরম করে না। choti golpo যারা লেখন তারা জানেন কিভাবে পাঠককে উত্তেজিত করবেন। 

চটি গল্প রূপ ও আকার, উন্নত হোক আপনার চিন্তা

 

New Bangla choti 2019 > click here

 

আজকে চটি গল্প নিয়েই আলোচনা করব। কেন সবার এত আগ্রহ চটি গল্পে। কী আছে এই চটি গল্পের ভেতর আসুন জেনেনি।

Bangla choti
আগে জানব চটি গল্প কাকে বলে? বা Bangla choti golper Songya

এক কথায় বললে Bangla choti ছোট উত্তেজক গল্প। যে সব গল্প মানুুষ নিজেই নিজেকে উত্তেজিত করার জন্য পড়ে। এই গল্প গুলো উত্তেজক স্টোরির প্রথম পর্যায়ে পড়ে। এই গল্পগুলোকে উত্তেজক ভিডিওর কল্পরূপও  বলতে পারেন।

 
কারা পড়ে এই চটি গল্প? Bangla choti সবাই পড়ে না কিন্তু। তবে বেশিরভাগ, 🤣
এক কথাতেই এর উত্তর দেওয়া সম্ভব। যারা শরীরসুখ কল্পনায় ঢুবে থাকতে ভালবাসেন কিংবা সেক্স ভিডিও দেখার তেমন উপায় নেই। 

Apni Bangla choti porben ki na ?

চাইলে আপনিও চটি গল্প পড়তে পারেন। আপনি আনন্দ পেলে এতে দোষের কিছুই নেই। কিন্তু খেয়াল রাখবেন গল্পের মানের উপর আপনার মানসিকতা নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। তাই অখাদ্য চটি গল্প পড়ে নিজের কাছে নিজেকে ছোট করবেন না অনুগ্রহ করে। নিজের মানসিকতাকে নিজের কাছে রাজা বানিয়ে রাখুন। একটা ভাল গল্প কয়েক হাজার চটি গল্পের সমান। তাই ভাল গল্প পড়ুন, ভাল কিছু ভাবুন ভাল কিছু শিখুন। 

প্রেমের কবিতা প্রেমের এস এম এস প্রেমের সায়রি এখানে পাবেন

Bangla choti ভাল/কাল
প্রতিনিয়ত মানুষের মনের ভাবনা পরিবর্তন হচ্ছে ভালর থেকে কালোর প্রতি টান বাড়ছে। আপনি যদি  Google keyword planner চেক করেন তাহলে খেয়াল করবেন যতজন মানুষ গল্প সার্চ করে তার চেয়ে চটিগল্প সার্চ হয় হাজারগুন বেশি। এর প্রধান কারন মানসিক অবক্ষয়। আমি আবারও বলছি আপনি চাইলে চটিগল্প পড়তেই পারেন, কিন্তু তাতে যেন আপনার মানসিক অবনতি না হয়।
একটা উন্নত মানের গল্প আপনার মনে যে পরিমান আনন্দ তৈরি করতে পারে ঠিক ততটাই আপনার মনকে নিচে টেনে নামাতে পারে একটা বাজে গল্প। 
যৌনতা খারাপ কিছু নয় বরঙ ভালভাবে নিতে পারলে ভাল কিছুই কিন্তু কোনও চটিগল্প ভাল কিছু শেখায় বলে অন্তত আমার মনে হয় না।

Bangla choti পড়বেন কি না সেটা আপনিই ঠিক করুন,-
আশাকরি আপনি এই লেখা পড়ছেন মানে ভাল আর কালোর তফাতটুকু আপনি বোঝেন। আর যদি এখনো না বুঝতে পারছেন তাহলে মিন্টোস খান দিমাগের বাত্তি জালান। আর কী বলি।
বাংলা সাহিত্যে হাজার হাজার ভাল গল্প পড়ে আছে, পাঠক নেই। অথচ আপনি খুঁজছেন নর্দমায় নীলপদ্ম। এই হয়েছে আজকের অবস্থা। সেক্স নিয়ে অনেক উন্নত মানের গল্প উপন্যাস আছে যা আপনাকে অনেক ভাল কিছু ভাবতে শেখাবে। কালোর ভেতরকার আলোটুকুকে খুঁজে এনে দেবে।
 
 
আশাকরি এই লেখা আপনার খারাপ লাগেনি।আর ভাললাগলে লাইক সেয়ার সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না। আমরা ভালকিছুর চেষ্টা করছি চাইলে আপনিও হাত বাড়াতে পারেন। 
 
অন্যান্য লেখা পড়ুন নিচের লিংকে গিয়ে। আশাকরি ভাললাগবে।

যৌন মিলনের চার মন্ত্র

 

লজ্জা নয় শিখতে হয় যৌন জীবনের মন্ত্র

New Bangla choti

এক্কেবারে হট নতুন এই চটি গল্পটা পড়ুন। নিজেকে শান্ত রাখতে পারবেন না চ্যালেঞ্জ রইল

একটি হট গল্প, পর্ণার পাতায় পাতায়। এখানে ক্লিক করে Choti গল্পটা পড়তে পারেন

বাংলা হট স্টোরি

Notun Bangla choti golpo এই অসাধারণ গল্পটা অবশ্যই পড়ুন

এই লাইনে ক্লিক করে অসাধারণ এই Bangla choti golpo টা পড়ুন মন ভরে যাবে।

আপনি কি খুব সহজেই ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানাতে চান তাহলে এই লিংকে গিয়ে দেখুন, click here

20.59368478.96288
admin:

This website uses cookies.

Read More