৫ এপ্রিল রাত্রি ৯ টায় ৯ মিনিটের জন্য

বিচিত্র এই দেশ, এরা কারা আপনারাই বলুন

আজকে অনেকেই প্রদীপ বা মোমবাতি জালায় নি, তাতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু নিজামুদ্দিন ফেরত বেয়াদবগুলোর কান্ড দেখে যারা চুপছিল তারাই আজ মোদীজিকে পাগল বলছে। সত্যিই বিচিত্র এই দেশ।

সত্যিই বিচিত্র এই দেশ, এরা কারা? 

মাথা ঠান্ডা করে ভাবুন কারা আজ প্রদীপ বা মোমবাতি জালালো না। তারা কারা? তারা কি শুধুই বিজেপি বিরোধী, না কি NRC কাজ করছে এখানেও। হ্যাঁ যাদের ঠিকানা এই দেশ নয়, তাদের বেশিরভাগ আজ জালায় নি প্রদীপ।

কাল যদি প্রধানমন্ত্রী বলেন, টাইমে খাবার খেও, আমি নিশ্চিত অনেকেই না খেয়ে মরবে।

আমি এবং আমার পরিবার হিন্দু বাঙলি। তাই প্রদীপ জালানো শাঁখ বাজানো এগুলো দেখেই বড় হয়েছি। আমার নিজের রুমেও কৃষ্ণের ছড়াছড়ি। আমার বাড়িতে এখনো তুলসী তলায় প্রদীপ জালানো হয় প্রতিটা সন্ধায়। এখনো শাঁখ বাজে।

তাই প্রধানমন্ত্রী যখন বললেন প্রদীপ/মোমবাতি/টর্চ/মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট কিছু একটা জালাতে তাতে অবাক হলাম, উনি কেন বললেন তা পুরোপুরি পরিস্কার নয় আমার কাছে। কারণ আলো নিভিয়ে প্রদীপ জালালে একতা ফুটে উঠবে বলে আমার মনে হয় না।
তবুও আমি বেশ উৎসাহ নিয়ে ছাদের উপর মোমবাতি সাজালাম, জালালাম। কারণ প্রদীপ বা মোমবাতি জালানোর ভেতর অদ্ভুত এক আমেজ আছে যা আমাকে মুগ্ধ করে।
অনেকেই জালিয়েছেন অনেকেই জালান নি, এতেও আপত্তির তো কিছুই নেই।
কিন্তু যারা জালায় নি তাদের অনেকেই দেখলাম মোদীজির এই অনুরোধে বেশ রেগে গেছেন। রাগটাও অকারণ নয়।সেই রাগ তারা ফেসবুকের দেওয়ালে থুতু দিয়ে দিয়ে ভরিয়েও দিচ্ছেন।
আচ্ছা থুতু বলতেই মাথায় এলো, নিজামুদ্দিন থেকে ফিরে বেশ কয়েকজন নাকি থুতু ছেটাচ্ছে করোনা ছড়াতে। উলঙ্গ হয়েও নাকি ঘুরছে। এই বেয়াদব উন্মাদগুলোকে নিয়ে আমি ফেসবুকে তেমন পোস্ট পেলাম না তাদের ওয়ালে যারা মোদীজির মোমবাতি জালানো নিয়ে ক্ষেপে গেছেন।
সত্যিই বিচিত্র এই দেশ।

Spread the love

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.