Skip to toolbar
ফেসবুক থেকে অনলাইন ইনকাম

ঘরে বসে ফেসবুক থেকে অনলাইন ইনকাম করতে শিখুন

ফেসবুক হচ্ছে অনলাইন ইনকাম করার সবচেয়ে সহজ এবং সুন্দর একটি প্ল্যাটফর্ম। আমরা সাধারণত বন্ধুদের সাথে গল্পগুজব করার জন্য আর ছবি শেয়ার করার জন্য ফেসবুক ব্যবহার করে থাকি।

ফেসবুক থেকে অনলাইন ইনকাম

কিন্তু আপনি কি জানেন আপনি ঘরে বসেই ফেসবুক থেকে অনলাইনে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন?

হ্যাঁ আমি বাস্তব কথা বলছি আপনি ঘরে বসেই ফেসবুক থেকে অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন। আপনি হয়তো কল্পনাও করতে পারবেন না যে কত মানুষ ফেসবুক থেকে ইনকাম করছেন।

ফেসবুক থেকে ইনকাম করার অনেকগুলি পথ আছে, আমি তার মধ্যে সবচেয়ে সহজ এবং সরল পথটি আজকে আপনাদেরকে বলবো।

প্রথমবার যখন আপনি পুরো লেখাটা পড়বেন আপনার মনে হতে পারে এত ঝামেলা করে অনলাইন ইনকাম করার কোন দরকার নেই। কারণ প্রথমে আমারও তাই মনে হয়েছিল। 

কিন্তু বিষয়টা একবার বুঝে নিলে আপনার কাছে পুরো বিষয়টাকে একদমই ঝামেলা বলে মনে হবে না। তাছাড়া পুরো প্রসেস আপনাকে সারাজীবনে একবারই করতে হবে আর সেখান থেকে আপনি সারাজীবন রোজগার করতে পারবেন  

আপনার বোঝার সুবিধার জন্য আমি আলাদা আলাদা ভাবে ভিডিওগুলো দিয়ে রাখছি

ফেসবুক থেকে অনলাইন ইনকাম

ফেসবুক থেকে অনলাইন ইনকাম করার কয়েকটি পদ্ধতি 

  • ইউটিউব এর মত ফেসবুকেও আপনি একটি পেজ বানিয়ে সেখানে ভিডিও আপলোড করে ভিডিও মনিটাইজের মাধ্যমে অনলাইনে ইনকাম করতে পারেন।
  • আপনার যদি ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে থাকে তাহলে সেই লিঙ্ক ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল এর মাধ্যমে শেয়ার করে আর্নিং করতে পারেন।
  • আপনি এফিলিয়েট লিংক ফেসবুকে শেয়ার করে সেখান থেকেও ইনকাম করতে পারেন।

কিন্তু আমি আজকে যে মাধ্যমে টি আপনাদেরকে বলছি সেই মাধ্যমে থেকে আপনি খুব সহজে সবচেয়ে বেশি ইনকাম করতে পারবেন।

আমার লেখা শুরু করার আগেই একটা কথা বলে রাখা ভালো এই পদ্ধতি কিন্তু ফ্রী নয়, প্রথমদিকে আপনাকে ইনভেস্ট করতে হবে পরে আর ইনভেস্ট করার দরকার পড়বে না।

রিসেলিং করে ফেসবুক থেকে সবচেয়ে বেশি ইনকাম করা যায় 

অনলাইনে ইনকাম করার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হচ্ছে রিসেলিং করা, রিসেলিং করে আপনি খুব সহজেই ঘরে বসে দৈনিক দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। অনেকেই রিসেলিং থেকে প্রতিদিন পনেরো কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত রোজগার করে থাকেন।

  • রিসেলিং কথাটির মানে যদি আপনাকে আমি খুব সহজভাবে বোঝাই তাহলে রিসেলিং মানে হচ্ছে অন্যের প্রোডাক্ট সেল করা। ধরুন আমার একটি কলমের দোকান বা কোম্পানি আছে আমি চাইছি, আমি চাইছি আমার কলম অনেকেই বিক্রি করুক। যারা বিক্রি করবে তাদের জন্য আমি কলমটির দাম রেখেছি ৫ টাকা প্রতি পিস। এরপর যে কলমটি বিক্রি করবে সে ৬ টাকাতেই বিক্রি করুক কিংবা ১০০ টাকায়, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আমি সেই বিক্রেতার কাছ থেকে প্রতি কলম পিছু ৫ টাকাই নেব। সে যত বেশি দামে বিক্রি করতে পারবে পুরো লাভটাই থাকবে তার নিজের। এখানে যে ব্যক্তি আমার কলম বিক্রি করছে সেই ব্যক্তি হচ্ছে রিসেলার কারণ রিসেলিং তিনি করছেন।

আশা করি বিষয়টা আপনাকে খুব সহজ ভাবে বোঝাতে পেরেছি।

আপনি হয়তো ভাবছেন আপনি এমন কলম বা এই ধরনের প্রোডাক্ট কোথায় পাবেন! না আপনাকে চিন্তা করার কোনও দরকার নেই আমি একটি অ্যাপ্লিকেশনের কথা বলছি এই অ্যাপ্লিকেশন থেকে আপনি লাখ লাখ প্রোডাক্ট পাবেন, যেখানে তার প্রাইস দেওয়া থাকবে এবং আপনি যত বেশী দামে বিক্রি করতে পারবেন পুরো লভ্যাংশ থাকবে আপনার। লাভের সঙ্গে আপনি বেশি বিক্রি করার জন্য আরো এক্সট্রা বোনাস পাবেন।

এই অ্যাপ্লিকেশনটি নাম হচ্ছে মিসো। সবার প্রথমে আপনাকে মিসো অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করতে হবে তারপর রেজিস্টার করতে। এরপর একটি রেফারেল কোড দেওয়ার দরকার পড়বে আমি রেফারেল কোডটি আপনাকে এখানে দিয়ে দিচ্ছি।

  আপনার রেফারেল কোডটি হল☛  BAPPADI166 

Download Meesho

 

মিসো অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করার পর আপনি কীভাবে রিসেলিং শুরু করবেন তা আমি আপনাকে আরো বিস্তারিত ভাবে বোঝাচ্ছি। যাতে আপনার একবিন্দুও সমস্যা না হয়।

  • মনে রাখবেন মিসো এপ্লিকেশন থেকে কাস্টমার সরাসরি প্রোডাক্ট কিনতে পারে না। কাস্টমারের অর্ডার আপনাকেই সাবমিট করতে হবে। তাহলে দরকার কাস্টমারের নাম ঠিকানা আর মোবাইল নম্বর।
  • নাম ঠিকানা মোবাইল নম্বর কালেক্ট করার জন্য সবার প্রথমে আপনাকে একটি ফ্রি গুগল সাইট বানাতে হবে। আপনি যে জিনিস বিক্রি করতে চাইছেন সেই জিনিসের নামের উপরে গুগল সাইটটা বানান তাহলে লোকের বিশ্বাস অর্জন করবেন অনেক দ্রুত। লোকে নাম ঠিকানা মোবাইল নম্বর দিতেও হেজিটেট ফিল করবে না। 

  • যদি আমি কলম বিক্রি করতে চাই তাহলে আমি গুগল সাইট এর নাম কলম দিয়েই রাখব। আপনাকে বোঝানোর সুবিধার জন্য আমি আমার একটি গুগোল সাইটের লিঙ্ক এখানে দিয়ে রাখলাম👉 নিজের সৌন্দর্য বাড়ান মাত্র কুড়ি দিনে
  • আপনার গুগল সাইটে আপনাকে কাস্টমার নিয়ে আসতে হবে এবং ইন্টারেস্টেড কাস্টমার এর কাছ থেকে নাম, ঠিকানা আর মোবাইল নাম্বার কালেক্ট করতে হবে। 
  • মিসোতে যখন আপনি কোনও অর্ডার সাবমিট করবেন তখন কাস্টমারের নাম ঠিকানা মোবাইল নাম্বারের দরকার পড়বে। 
  • গুগল সাইট বানানো হয়ে গেলে দরকার পড়বে একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করার। আপনি যদি ফেসবুক পেজ বানাতে না জানেন তাহলে ইউটিউবে গিয়ে সার্চ করুন কিভাবে একটি ফেসবুক পেজ বানাবো? ম্যাক্সিমাম এক মিনিট সময় লাগবে আপনার একটি ফেসবুক পেজ বানানো শিখতে। পাঁচ মিনিটের ভেতরে আপনি একটি সুন্দর ফেসবুক পেজ বানিয়ে নিতে পারবেন।

তাহলে এখনো পর্যন্ত আপনাকে কী কী করতে হয়েছে আরেকবার দেখুন, ভয় পাবেন না। আমার বিশ্বাস সবাই পারবেন। কঠিন ভাবে নেবেন না। মিসো এপ্লিকেশন ডাউনলোড করে রেজিস্টার করেছেন, রেফারেল কোড দিয়েছেন, গুগল সাইট বানিয়েছেন, ফেসবুক পেজ বানিয়েছেন।

এরপর আপনাকে গুগল সাইটের লিংক ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে হবে। ফেসবুক পেজে লিংক শেয়ার করার পর সেই লিংকে ভিজিটর আনার জন্য সাত দিনের জন্য ৩৫০ টাকার বিজ্ঞাপন চালাতে হবে।

মিসো অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করতে কিংবা গুগল সাইট বানাতে অথবা ফেসবুক পেজ তৈরি করে তাতে বিজ্ঞাপন চালাতে কোনও জায়গাতে যদি আপনার কোনওরকম সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে আপনি কমেন্ট করে সেটা আমাকে জানাতে পারেন।

আমি আরো একটা পোস্ট লিখে আপনার সমস্যার সমাধান করব কিংবা আপনি চাইলে আমাকে সরাসরি কন্টাক করতে পারেন আমার ওয়েবসাইটে আমার কন্টাক্ট নাম্বার দেওয়া আছে।

অনলাইন ইনকাম করার আরও পাঁচ রাস্তা

Spread the love

5 thoughts on “ঘরে বসে ফেসবুক থেকে অনলাইন ইনকাম করতে শিখুন”

  1. customer এর কাছে পন্য আমার ডেলিভারি দেয়া লাগবে?
    নাকি সেলার নিজেই ডেলিভারি দিবে, আমি শুধু অর্ডার নিয়ে দিবো?

    Reply
  2. customer এর কাছে পণ্য ডেলিভারি দিবে দিতে হবে আমার? নাকি তারা দিবে?

    Reply
    • না সব ওরাই দেবে। অর্ডার নিয়ে অর্ডার সাবমিট করাই কাজ।

      Reply
  3. মিসো এপ বাংলাদেশে কাজ করে?
    নাকি শুধু ইন্ডিয়ায় ডেলিভারি দেয়?

    Reply

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

COVID-19

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেখুন

%d bloggers like this: