Skip to toolbar

নিজামুদ্দিন মামলায় আরও কঠোর হবে সরকার

নিজামুদ্দিন মামলায় আরও কঠোর হবে সরকার তেমনটাই জল্পনা এখন তুঙ্গে। একের দায়ে দশের সর্বনাশ হোক সেটা সরকার কিছুতেই মেনে নেবে না।

নিজামুদ্দিন মামলায় আরও কঠোর হবে সরকার

ইতি মধ্যেই যারা নিজামুদ্দিন সমাবেশ  থেকে ফিরেছেন তাদের বেশিরভাগকে আইসোলশনে রাখা হয়েছে। কিন্তু সেখানে তৈরি হয়েছে চূড়ান্ত অসভ্যতা।

নিজামুদ্দিন ফেরত ছয়জন কে রাখা হয়েছে গাজিয়াবাদের এমএমজি হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে ওই ছয়জন যা শুরু করতেছেন তাতে ডাক্তার নার্স সহ বিরক্ত হয়েছেন প্রশাসন।

নিজামুদ্দিন ফেরত ছয়জন যা যা করেছেন তা একটু দেখুন,-

  • সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে হাসপাতালের ওয়ার্ডে ঘুরে বেড়ানো।
  • ডাক্তার নার্সের গায়ের দিকে থুতু ছেটানো।
  • বিড়ি সিগারেট না পাওয়ার নার্সদেরকে অসভ্য ভাষায় গালাগাল।

ইতিমধ্যেই ওই ছয় জনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। যা জামিন অযোগ্য।বিষয়টি নিয়ে পুলিশকে কঠোর হওয়ার আদেশ দিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ

একই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপূর্ব দিল্লির রেল কোয়াটারে। সেখানেও থুতু ছেটানো গ্লাসের জলে থুতু দিয়ে ছোড়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।

একই ঘটনা ঘটেছে আসামে।

এখন সারা দেশ করোনার ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত। এমন পরিস্থিতিতে যারা এই রোগ ছড়িয়ে দিতে চাইছেন তাদেরকে সরকার দেশদ্রোহী ঘোষণা করলেও অবাক হওয়ার কিছুই নেই।

এভাবে চললে খুব দ্রুত সরকার এদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়ে যাবে। মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ চাইছেন সরকার যাতে বড় পদক্ষেপ নেয়। তাহলে বিষয়টাকে ধর্মীয় ভাবে ব্যাখ্যা করে দেশের ভেতরকার পরিস্থিতি আরও খারাপ করা সম্ভব হবে।

এখন যখন সারাদেশ ভয় পাচ্ছে করোনার তৃতীয় ধাপে পৌঁছানো নিয়ে, তখন কিছু মানুষ চাইছেন নিজামুদ্দিন ফেরত মুসলমানকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করে দেশের ভেতরকার সুস্থতা নষ্ট করতে।

ধর্মের ভেক ধরলেই ধার্মিক হওয়া যায় না 

যদিও যারা থুতু ছেটাচ্ছেন বা উলঙ্গ হয়ে হাসপাতালে ঘুরছেন তারা মুসলমান শব্দের অর্থ টুকুও জানেন বা বোঝেন বলে মনে হয় না। তাই তাদেরকে সহজেই ভুল পথে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু এই সামান্য কয়েকজন পাগলের পক্ষে দেশের ভেতরকার সুন্দর সম্পর্ক নষ্ট করা যে সম্ভব নয় তা হয়তো অনেকেই বুঝতে পারছেন।

ভারতবর্ষ এমনি এমনিই এত জাতি এত ধর্মের মিলনস্থল হয়ে যায় নি। এর পিছনে সব জাতির সব ধর্মের অবদান আছে। তাই কয়েকটি পাগলের চেষ্টায় সেই হার্দিক সম্পর্ক কিছুতেই নষ্ট হবে না।

কিছু আহাম্মক ভাই-ভাই এর বিবাদটুকুই দেখেছে, ভাই-ভাই এর রক্তের টান দেখে নি। যেদিন ভারতের ভেতর সেই একমায়ের রক্তেরটান জন্মাবে সেদিন সারা বিশ্ব দেখবে এই দেশের আন্তরিক শক্তি কতটা। সেদিন বিদেশের বুদ্ধিতে পরিচালিত ধর্মের ছদ্মবেশিরা তাদের কর্মের ফল নিশ্চয় ভোগ করবে।

যারা নিজামুদ্দিন থেকে ফিরে অসভ্যতা করছে তাদের উদ্দেশ্য বিশ্বের কাছে ইসলামকে ছোট করে দেওয়া। ভারতের ভেরত আগুন লাগিয়ে দেওয়া। দেশের ভেতর করোনা নামক মৃত্যুকে ছড়িয়ে দেওয়া। এই পাগলগুলো আর যাই হোক সম্পূর্ণ মানুষ নয় কিছুতেই। নিজামুদ্দিন থেকে ফিরেছেন অনেকেই, কই সবাই তো এই রোগ ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে না। উলঙ্গ হয়ে ঘুরছে না। ভাবুন ভাবতে শিখুন। চোখ কান খুলে বুদ্ধি দিয়ে বিবেচনা করুন।

নিজামুদ্দিন মামলা

আরও পড়ুন ☛  চোখ দেখেই বুঝতে পারবেন করোনা হয়েছে কি না

Spread the love

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

COVID-19

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেখুন