Skip to toolbar
জনতা কার্ফু, ঘরবন্দী ভারত

কেন ঘরবন্দী ভারত

কেন ঘর বন্দী ভারত? শুধুই কি নিরাপত্তা নাকি সত্যিই করোনা পৌঁছেগেছে  তৃতীয় স্টেজে, আসুন জেনে নেবো কেন ঘরবন্দী ভারত।

জনতা কার্ফু, ঘরবন্দী ভারত

জনতা কার্ফু, ঘরবন্দী ভারত

আজ ২২ মার্চ ২০২০ ঘরবন্দী ভারত। আজকে সারা ভারত জুড়ে জনতা কার্ফু কেউ বাইরে বার হবেন না সকাল ৭ টা থেকে রাত্রি ৯ টা পর্যন্ত। কিন্তু কেন ঘরবন্দী ভারত?

কেন জারি জনতা কার্ফু 

একে একেই একাধিক শহর লকডাউনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে নিরুপায় হয়ে। সত্যিই ভারত ধীরে ধীরে নিরুপায় হচ্ছে। ঘরবন্দী হওয়ার পথে পুরো দেশ।

প্রতিদিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, শনিবার সকালে যাছিল ২৫৮ তা সন্ধায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮৩। মানে সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত ২৫ জন ভারতীয় আক্রান্ত হয়েছেন।

যেটা সর্বাপেক্ষা ভয়ঙ্কর তা হচ্ছে, মনে হচ্ছে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়ে গেল এদেশেও। অর্থাৎ স্টেজ-থ্রি তে পৌঁছে গেল করোনা ভাইরাস ভারতেও। যেদুজন করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে তাদের সঙ্গে সরাসরি কোনও কোনও বিদেশি সংযোগ নেই।

আশাকরি এবার বুঝতে পারছেন কেন ঘরবন্দী ভারত। এই পর্যায় দ্রুত থামাতে না পারলে ভারত ভয়াবহ হতে বিশেষ সময় নেবে না।

একবিংশ শতকে দাঁড়িয়েও ভারতের বেশিরভাগ গ্রাম অশিক্ষা আর কুসংস্কারে আচ্ছন্ন, তাই করোনা সত্যিই যদি স্টেজ থ্রি তে তাহলে ভারতের জন্য ভয়ানক এই সংবাদ।

পূর্ব ভারতের ওড়িশার ৫ টি জেলা ও ৮টি শহর লকডাউন করে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক। ২৯ মার্চ পর্যন্ত জরুরি পরিষেবা ছাড়া পুরোপুরি ঘরবন্দী থাকতে হবে।

বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকারও, যেহেতু এই রাজ্যের রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি তাই ভয়টাও বেশি। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত মুম্বাই সহ চারটি শহর সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ লকডাউন হয়েছে পুণে, পিম্পরি, চিঞ্চবাদ এবং নাগপুরের মতো শহর।

আরও পড়ুন ☛ করোনা ভাইরাস সর্তকতা

ভাল নেই ঘরবন্দী ভারত

আজকেও ভারতের হাজার হাজার শিক্ষিত যুবক যুবতী ফেসবুক আর টিকটকে ডুবে আছে,-করোনাকে পিঁপড়ের চেয়েও ছোট করে দেখাচ্ছে ওরা।

এই মানসিকতা থাকলে করোনার সময় লাগবে না ভারতকে গ্রাস করতে। এইভুল ইতালি করেছে জার্মানি করেছে। এই ভুল যেন ভারত না কিছুতেই না করে।

করোনা কাল হয়ে আসার আগেই করোনাকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিতে হবে।  আজ সচেতন হওয়ার দিন, সচেতন করার দিন। নিজেকে পাগল সাজিয়ে রাখার সময় আরো আসবে, কিন্তু নিজেকে বাঁচানোর সময় বারবার আসবে না।

সময় থাকতে সচেতন না হলে আর হয়তো সচেতন হওয়ার সময় পাব না আমরা। আজ সময় হাতে হাত রেখে চলার। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করার দিন এসেছে।

প্রত্যেক ভারতীয় আজকে সৈনিক, না দরকার নেই কোনও বন্দুক বা Ak47 আপনি নিজে সচেতন হয়ে অন্যকে সচেতন করেই দেশকে বাঁচাতে পারেন।

হ্যাঁ বন্ধু টিকটক ভিডিও বানান ফেসবুক ভিডিও বানান ছবি দিন, মানুষকে সচেতন করার ভিডিও ছবি আপলোড করুন। এরচেয়ে বড় দেশপ্রেম দেখানোর সুযোগ হয়তো আর পাবেন না।

জয় হিন্দ জয় ভারত।

Spread the love

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

COVID-19

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেখুন