X

কেন এত ধর্ষণ বাড়ছে, অশ্লীল পোশাকই বা কতটা দায়ী, কিভাবে আটকাবেন এই ধর্ষণ ভাইরাস কে, আসুন জেনেনি

আপনি চাইলে খুব সহজেই ধর্ষণ মুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পারবেন।

দেখুন একটা কথা বাস্তব যে ধর্ষণ কোনও সাধারণ মানসিক অবস্থার মানুষ করে না। আপনি যদি সুস্থ মনের হন তাহলে আপনি ধর্ষণ তো দূরের কথা দান করা দেহও নিতে ভয় পাবেন। কেউ শরীর দিতে চাইলেও আপনি হস্তমৈথুনকেই নিরাপদ মনে করে বাথরুমে চলে যাবেন।
কেন এত ধর্ষণ বাড়ছে, কিভাবে আটকাবেন এই ধর্ষণ ভাইরাস কে, আসুন জেনেনি
যারা ধর্ষণ করছে তারা মানসিক রোগে আক্রান্ত। অত্যাচার করতে করতে শরীর উপভোগ করার প্রবণতা দিন দিন মানুষের বাড়ছে। মাঝেমাঝে অত্যাচারটা চরম সীমায় পৌঁছে যায়। যারা এই টর্চার করতে করতে সেক্স উপভোগ করেন বা করার কথা ভাবেন তারা অনেক সহজেই ধর্ষণ করে দিতে পারে।

আপনি শুনলে অবাক হবেন সেক্স ভিডিও ইন্টারনেটে যত পরিমান সার্চ হয় প্রায় সম পরিমান সার্চ হয়, রেপ ভিডিও। এবার আপনি হয়ত বুঝতে পারছেন যারা রেপ ভিডিও খুব তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করে তারা রেপটাকেও খুব একটা কঠিন নজরে দেখবে না। সুযোগ জুটে গেলে তো বলার কথাই নয়।
কেন এত ধর্ষণ বাড়ছে, কিভাবে আটকাবেন এই ধর্ষণ ভাইরাস কে, আসুন জেনেনি
এখন সবার হাতেই মোবাইল। দু বছরের বাচ্চাও মোবাইলে ভিডিও দেখছে। এই মোবাইল হাতে হাতে আসার পর ধর্ষণ বহুগুণ বেড়েগেছে। ইন্টারনেটে মানুষ ভাল খারাপ দুটোই দ্রুত শিখছে।
হ্যাঁ পোশাক একটা বিপদজনক কারণ। আজকালকের মেয়েদের পোশাক যথেষ্ট উত্তেজক। এই পোশাকগুলো যথেষ্ট উত্তেজনার সৃষ্টি করে। এই বিষয়ে বহু আহম্মক মহিলাকে বিপরিত বলতে শুনেছি। এবং এই বিপরিত কথা বলে উনারা পোশাকের পরিমান আরও কমিছেন ধর্ষণ বাড়িয়েছেন অনেকটা। উনারা ভুলে যান যে, সেক্স জন্মগত সৃষ্টি। বা সেক্সই সৃষ্টির কারণ। এটা কাউকে শিখিয়ে দিতে হয় না।
কেন এত ধর্ষণ বাড়ছে, কিভাবে আটকাবেন এই ধর্ষণ ভাইরাস কে, আসুন জেনেনি

আপনিও জানেন বিভিন্ন প্রাণী বিপরীত লিঙ্গকে ডাকে মিলিত হওয়ার জন্য, সে ব্যাঙের ডাক ময়ূরের পেখম যাই হোক।
নারীর শৃঙ্গার(সিঁদুর,আলতা,টিপ,কাজল,লিপস্টিক) পুরুষকে আকর্ষণ করে, পোশাকও তাই। নারীর পোশাক পুরুষকে উত্তেজিত করে, মিলনের জন্য ডাকে। এটাও জন্মগত। সে আপনি যাই বলুন।
একটি মেয়ের জিন্সের উরুর অংশ কাটা, কিংবা বুক দুটো পোশাক থেকে বেরিয়ে আসছে। এগুলো আধুনিকতা অবশ্যই। এই পোশাকগুলো বলে রেপ নয় সেক্স করুন আমি রাজি আছি। এটা অনেক পুরুষ বুঝতে পারে না, তারা উলটো করে বসে।
অনেকেই হয়ত বলবেন আমি ধর্ষকের সমর্থনে বলছি।না আমি মোটেই তা বলছি না আমি কারণগুলো খুঁজে দেখাচ্ছি মাত্র। একটা উত্তেজক পোশাক উত্তেজনারই জন্মদেয়। এবং উত্তেজক পোশাক পরিহিতাও সেটুকুর আশাতেই উত্তেজক পোশাক পরে।
কেন এত ধর্ষণ বাড়ছে, কিভাবে আটকাবেন এই ধর্ষণ ভাইরাস কে, আসুন জেনেনি
আপনি আপনার মেয়ে এবং ছেলেকে ছোট থেকেই শেখান। যাতে তারা ভুল পথে না পা বাড়ায়। যৌন শিক্ষা আধুনিকতার পরিচয়। যৌন শিক্ষাই পারে এই সুন্দর পৃথিবী থেকে ধর্ষণ নামক ভাইরাসকে শেষ করতে।
সব সময় মনে রাখবেন চোর দোষী অবশ্যই কিন্তু কৃপণ ধনীও ততটাই দোষী । তাই নোংরা পোশাক থেকে আপনার মেয়েকে দূরে রাখুন, নিজে আরও দূরে থাকুন। নোংরা পোশাক পরে ধর্ষক টেনে আনবেন না। এটাই খাল কেটে কুমীর আনা হয়ে যায়।
আপনিও হয়ত প্রায়দিন খবরে শুনছেন শিশু ধর্ষণের কথা। এই ধর্ষণ যারা করে তারা মানুষের পর্যায়েই পড়ে না। তারা দৈত্য দানব রাক্ষসের চেয়েও ভয়ানক। এদেরকে এই সমাজ থেকে সরিয়ে দেওয়ায় দোষের কিছুই নেই। এরা পাগল কুকুরের চেয়েও মারাত্মক। এদের নিয়ে কোন সুস্থ আলোচনা হতেই পারে না।

আপনার ছেলে মেয়ে যদি পরিণত বয়সের না হয়েছে এখনো তাহলে ওদের গতিবিধির উপর নজর রাখুন। স্বাধীনতা অবশ্যই দেবেন কিন্তু খেয়াল করবেন ওরা যেন স্বেচ্ছাচারী হয়ে না ওঠে। বাড়ির অন্যান্য বিষয়েও ছেলে মেয়েদের মতামত নিন তাতে ওরা ভাল কিছু চিন্তা করতে শিখবে ছোট থেকেই। ওরা পরিনতও হবে দ্রুত।

আপনার ছেলেকে খুব ভালভাবে মানুষ করুন। ছোট থেকেই যৌন শিক্ষা দিন। এতে লজ্জার কিছু নেই। নতুবা লজ্জায় সেই দিন কুঁকড়ে যাবেন যেদিন টিভিতে দেখবেন না লোকের মুখে শুনবেন। পাশের এলাকার ধর্ষণটি আর কেউ নয় আপনার ছেলেই করেছে।
কেন এত ধর্ষণ বাড়ছে, কিভাবে আটকাবেন এই ধর্ষণ ভাইরাস কে, আসুন জেনেনি

প্রতিটি ধর্ষকেই যৌন উন্মাদ এদের থেকে নিজের পরিবার বাঁচাতে এবং যাতে  আপনার পরিবারের কেউ এই রোগে আক্রান্ত বা শিকার না হয় সেই জন্য আপনাকেও দায়িত্ব নিতে হবে।

চলুন হাতে হাতে সুস্থ সমাজ গড়ে তুলি। এক ধর্ষণমুক্ত পৃথিবী আঁকি। লেখা সেয়ার করে সাহায্য করুন।
আমাদের লেখা ভাল লাগলে লাইক সেয়ার সাবস্ক্রাইব করবেন, আমরা চিরদিনের জন্য আপনার বন্ধু হতে চাই।
আমাদের অন্যান্য লেখা পড়ুন
কেন এত ধর্ষণ বাড়ছে, কিভাবে আটকাবেন এই ধর্ষণ ভাইরাস কে, আসুন জেনেনি
ধর্ষণ মুক্ত পৃথিবী চাই

This website uses cookies.