জনতা কার্ফু

আপনি কি জানেন কেন এই জনতা কার্ফু জারি করা হয়েছে

আগামী ২২ মার্চ রবিবার জারি করা হয়েছে জনতা কার্ফু, কিন্তু আপনি কি জানেন কেন এই জনতা কার্ফু জারি করা হয়েছে? এটা আপনার একান্ত জানা দরকার।

জনতা কার্ফু

কেন এই জনতা কার্ফু? 

কেন জনতা কার্ফু (জনতা কারফিউ) জারি করা হয়েছে সেটা জানার আগে নিচের ভিডিওটা দেখুন। তাতে আপনার বুঝতে অনেক সাহায্য হবে।

মানুষ সচেতন হলে করোনা ভাইরাস আপনার ব আয়াপনার পরিবারের কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। আজকের সচেতনতা আপনার ভবিষ্যৎ সুন্দর করবে।

বন্ধুরা এখন রাজনীতি করার সময় নয়, ফ্রান্স ইতালি যে ভুল করেছে আমরা সেই ভুল করব না।এটা অহংকার বা দম্ভের সময় নয়। এখন সময় নিজের বুদ্ধির পরিচয় দেওয়ার।

ধুর আমার কিছুই হবে না করে বাইরে ঘুরবেন না। মানলাম আপনার কিছুই হবে না কিন্তু আপনার বয়ে নিয়ে আসা করোনা ভাইরাস আপনার পরিবারের বিরাট ক্ষতি করতে পারে।

চলুন দেখা যাক কী বললেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

জনতা কার্ফু নিয়ে নরেন্দ্র মোদির বক্তব্য    

  • দেশ এখন একটা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সবাইকে লড়তে হবে এক জোট হয়ে।
  • দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে।
  • আপনাদের থেকে আগামী কয়েক সপ্তাহ সময় চেয়ে নিচ্ছি।
  • করোনা মোকাবিলায় কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসাপদ্ধতি জানা নেই। তাই আতঙ্কিত হওয়া স্বাভাবিক।
  • আমাদের আরও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হতে হবে। নাগরিক হিসেবে আমাদের কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সব নির্দেশ মানতে হবে।
  • নিজেকে সংক্রামিত হওয়ার থেকে রক্ষা করতে হবে, অন্যকেও বাঁচাতে হবে।
  • নিজে সুস্থ, তাহলে বিশ্ব সুস্থ।
  • যেহেতু, এর কোনও ওষুধ নেই, তাই নিজেকে নিয়ম মানতে হবে।
  • ভিড় থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখুন।
  • বাড়ি থেকে বেরোবেন না।
  • সোশ্যাল ডিসটেন্সিং খুবই প্রয়োজনীয়।
  • আত্মসংযম খুবই জরুরি।
  • যদি মনে করেন, আমার কিছুই হবে না, বাইরে বেরোলেন, বাজারে গেলেন, তাহলে তা ঠিক হবে না।
  • বাড়ি থেকে যতটা সম্ভব কাজ করুন।
  • ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিরা যথাসম্ভব বাড়িতেই থাকুন।
  • সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে, সতর্ক থাকুন।
  • জনতার জন্য জনতার লাগু করা জনতা কার্ফু দরকার।
  • আগামী রবিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা জনতা কার্ফু করুন। বাড়ি থেকে কোথাও বেরোবেন না। জমায়েতে যাবেন না। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষের কথা আলাদা।
  • ২২ মার্চ, রবিবার সকাল ৭-রাত ৯ জনতা কার্ফু।
  • এই জনতা কার্ফু, আগামী দিনের অনেক চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে সাহায্য করবে।
  • রাজ্য সরকারগুলিকেও অনুরোধ করব, মানুষকে জনতা কার্ফু পালন করতে বলার জন্য।
  • বিভিন্ন সংগঠনকেও অনুরোধ করব, এই নিয়ে মানুষকে জানানোর।
  • এখন থেকে জনতা কার্ফুর জন্য প্রচার করুন। প্রতিদিন ১০ জনকে ফোন করে বলুন।
  • গত কয়েক মাস ধরে বহু লোক নিজেদের কথা না ভেবে বিভিন্ন জায়গায় দিন-রাত পরিশ্রম করছেন। অন্যের জন্য কাজ করছেন স্বাস্থ্যকর্মী, সংবাদমাধ্যমের কর্মী, সাফাইকর্মী সহ অনেকেই।
  • এঁরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই কাজ করে যাচ্ছেন দেশের মানুষের জন্য।
  • রবিবার আসুন এঁদের সকলকে ধন্যবাদ জানাই।
  • রবিবার বিকেল ৫টায় নিজেদের বাড়ির দরজায় বা ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়ে কিংবা ঘণ্টা বাজিয়ে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করি।
  • রাজ্য সরকারগুলিকে অনুরোধ বিকেল ৫টায় সাইরেন বাজিয়ে এর সূচনা করতে।
  • রুটিন চেক-আপের জন্য হাসপাতাল যাওয়ার দরকার নেই। চেনা পরিচিত ডাক্তারদের ফোন করেই প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিন।
  • খুব প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার ছাড়া অন্য অপারেশনের তারিখ নেওয়া থাকলে, প্রয়োজনে পি্ছিয়ে দিন।
  • করোনার এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে গঠন করা হচ্ছে অর্থমন্ত্রকের কোভিড ১৯ ইকনোমিক রেসপন্স টাস্ক ফোর্স।
  • যাঁরা কাজে আসতে পারবেন না এই পরিস্থিতিতে, তাঁদের বেতন না কাটার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। বেতন কাটার বিষয়টি মানবিকতায় দেখা উচিত।
  • অযথা অতিরিক্ত জিনিস-পত্র কিনে মজুত করার দরকার নেই।  নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী যোগানে নজর থাকবে সরকারের। কেউ কোনও গুজব ছড়াবেন না।
  • এই পরিস্থিতিতে অনেক আতঙ্ক তৈরি হয়। কিন্তু সকলকে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ থাকতে হবে। নাগরিক হিসেবে আপনাদের প্রত্যেককেই সতর্ক থাকতে হবে।
  • সামনে নবরাত্রি। শক্তি-উপাসনার উৎসব। এই পরিস্থিতিতে আসুন, সকলে মিলে করোনার মোকাবিলায় নামি।

কেন এই জনতা কার্ফু জেনেনিন 

যারা জানেন না তারা জানুন একদিনের জনতা কারফিউ এর ফল কি হবে বা এর কারণ ‼

গবেষক দের মতে করোনা ভাইরাসের একটা জায়গায় ১২ ঘন্টার বেশি বাঁচতে পারে না। আর এই ১৪ ঘন্টার কারফিউ এর ফলে মানুষ বাড়ি থেকে না বেড়ালে জমায়েত না হলে ভাইরাস আক্রান্ত মানুষের সংস্পর্শ এ না এলে এই একদিন ১৪ ঘন্টা ভাইরাস এর সংক্রমণ এর চেন টা ভেঙে যাবে। রবিবার ছুটির দিন কেনো বাছা হলো কারন ছুটির দিনে বেশি সংখ্যক মানুষ বাইরে একত্রিত হয়। ভারতে প্রায় ১২৫ কোটি মানুষ। তার এক চতুর্থাংশ সংক্রামিত হলে ত্রিশ কোটির বেশি। সেই চাপ সামলানোর মতো পরিকাঠামো ভারতে কেন, কোথাও নেই। সংক্রামিত রোগীদের দশ শতাংশের যদি আইটিউ বা ভেণ্টিলেটর লাগে, তবে তিন কোটি। সমগ্র ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে চাপে। করোনায় মৃত্যুর হার বেশি নয় বলে যাঁরা সচেতনতা বৃদ্ধির সরকারি প্রচারকে অহেতুক আতঙ্ক বলে বিদ্রূপ করছেন, তাঁদের জানাই, চিকিৎসা না পেলে কিন্তু মৃত্যুর হার অনেক বাড়বে।
আর এই রবিবার জনতা কারফিউ এর মাধ্যমে আমরা ভাইরাস সংক্রমণ এর চেন টা ভেঙে দিতে পারি আমরা ভারতবাসী বেঁচে যাবো।

জনতা কারফিউ এর মুল ধারণা এটা… তাই রাজনীতি না করে সফল করুন।

ম্যাসেজ টি যতো সম্ভব পরিচিত কে শেয়ার করে বলো আরো মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে

দেখুন কীভাবে ছড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস  

কিছু লড়াই বুদ্ধি দিয়ে করতে হয়, বন্দুক দিয়ে নয়। বুদ্ধির চেয়ে বড় হাতিয়ার আর কিছুই হয় না। আপনি নিজের বুদ্ধির জোরে হাজার হাজার লাখ লাখ মানুষের প্রাণ একাই বাঁচাতে পারেন।

বন্ধুরা আমাদের অনুরোধ এই বার্তা সবার কাছে প্লিজ ছড়িয়ে দিন। আজ প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব একে অন্যকে সচেতন করা। জয় হিন্দ জয় ভারত।

Spread the love

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.