কম পড়ে ভাল রেজাল্ট করার উপায়

কম পড়ে ভালো রেজাল্ট করার উপায়

কম পড়ে ভালো রেজাল্ট করার উপায় এখন সবাই জানতে চাইছে, কারন ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক- এই অ্যাপ্লিকেশনগুলো স্টুডেন্টদের সময়টাকে খেয়ে ফেলেছে।

কম পড়ে ভাল রেজাল্ট করার উপায়

পড়াশোনার কেন কোনও কিছুতেই সাফল্য পাওয়ার জন্য কোন শর্টকাট রাস্তা নেই। কিন্তু এখানে এমন কিছু টিপস দেবো যে টিপসগুলো ফলো করলে সহজেই ভালো রেজাল্ট করা যাবে।

কম পড়ে ভালো রেজাল্ট করার পদ্ধতি অবশ্যই আছে, কিন্তু সেই পদ্ধতিটিও যারা কমসেকম পড়াশোনা করে তাদের জন্যই। যারা একেবারেই পড়াশোনা করে না তাদের জন্য অন্ততপক্ষে আমার কাছে কোনও ম্যাজিক নেই।

কম পড়ে ভালো রেজাল্ট করার উপায় বা কৌশল আমি বলতে পারি কিন্তু না পড়ে ভালো রেজাল্ট করার কোনও উপায় সত্যিই আমার জানা নেই।

সব সময় মনে রাখতে হবে যারা চেষ্টা করে তাদের কেই শুধুমাত্র ভাগ্য সাথ দেয় ভাগ্য তাদেরকে সাথ দিতে পারে না যারা কোনোদিন চেষ্টাই করে নি। ঘরে শুয়ে শুয়ে কোনদিন হিমালয় জয় করা সম্ভব নয়।

কম পড়ে ভাল রেজাল্ট করার পাঁচটি টিপস

  • ৫-১০-১৫ ঘন্টা পড়ার দরকার নেই তোমার যতক্ষণ ইচ্ছা হবে তুমি ততক্ষণ ই পড়বে। কারণ জোর করে বই নিয়ে বসে থাকলেও লাভের লাভ কিছুই হয় না। কিন্তু যতক্ষণ পড়বে ততক্ষণ যেন তোমার মোবাইল সুইচ অফ থাকে ভাইব্রেশন বা সাইলেন্ট মোডে থাকলে চলবে না। মোবাইলটা সুইচ অফ থাকলেই তুমি তোমার পড়ায় কনসেনট্রেট করতে পারবে। তাই দিনে তুমি যতটুকু সময়ই পড়বে মোবাইল বন্ধ করে পড়বে ।
  • সারাদিনে যা পড়েছ তা কোন এক সময় খাতায় পয়েন্ট করে করে লিখবে। এতে করে তুমি যা পড়েছ মন সেটাকে আরেকবার রিভাইজ করার দারুন সুযোগ পাবে। মনে থাকবে অনেক বেশি।
  • সারাদিনে যেটা পড়েছ সেটা খাতায় লেখার পর একবার আয়নার সামনে কিংবা দেওয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে শিক্ষক মনে করে দেয়ালকে কিংবা আয়নাকে বিষয়টা বোঝাবে। তারমানে তুমি নিজেই টিচার তুমি নিজেই স্টুডেন্ট। এটা করার পর তুমি একটা ম্যাজিক দেখতে পাবে যে বিষয়টা তুমি পড়লে সেটা তুমি দীর্ঘদিন পর্যন্ত ভুলবে না।

ভাল রেজাল্ট করার উপায়

এর পরের দুটো টিপস মারাত্মক গুরুত্বপূর্ণ যে টিপসগুলো সাধারণ কেউ তোমাকে বলতে পারবে না। যারা পরীক্ষার হলে খাতা দেখে তারাই শুধু এই দুটো টিপস সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।

পরীক্ষার হলে প্রবেশ করার পর যখন তুমি প্রশ্নপত্র পাবে, প্রশ্নপত্রটাকে না খুলে দুবার ভালো করে শ্বাস নেবে। এতে তোমার কনফিডেন্স বাড়বে অনেকটা।  এরপর প্রশ্নপত্রটাকে মনোযোগ সহকারে পড়বে। যে প্রশ্নের উত্তরগুলো তোমার সবচাইতে বেশি জানা সেগুলোর পাশে গোল দাগ দেবে যেগুলো একটু কম যানা বা ঠিকঠাক জানো না সেগুলোতে টিক মার্ক করবে।

  • প্রত্যেকটা পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই কথাটা মাথায় রেখো, খাতার চার সাইডে মার্জিন করবে। মার্জিন এর ভেতরে যে বক্স তৈরি হবে প্রত্যেকটা প্রশ্নের উত্তর যেন বক্সের ভেতরে থাকে বক্সের বাইরে যেন কোন অক্ষর না বেরিয়ে যায়। এতে হাতের লেখাটা দেখতে খুব সুন্দর লাগবে। যে লাইনে উত্তর দিচ্ছ সেই লাইন থেকে একটু নিচে নামিয়ে কোটেশন  লিখবে যাতে  অন্যান্য লাইনগুলোর সঙ্গে কোটেশন এক লাইনে মিশে না থাকে। নিচের ছবিটা খেয়াল করো।কম পড়ে ভালো রেজাল্ট করার উপায়
  • পরীক্ষার প্রথম দুটো পাতাতে যে প্রশ্নের উত্তর দেবে তা শর্ট কোশ্চেনের উত্তর হোক চায় লং কোশ্চেন হোক যেন কোথাও এক বর্ণও ভুল না হয়। খাতার প্রথম দুটো পাতা সবচাইতে ভালো ভাবে দেখা হয়। যিনি খাতা দেখেন তিনি প্রথম পাতা দুটো দেখেই বুঝে যান যে তুমি বাকি উত্তরগুলো কেমন লিখেছ। ঠিক যেমনভাবে হাড়ির ভাত সেদ্ধ হয়েছে কিনা দেখার জন্য মা দুই একটা ভাতেই তুলে দেখেন। যেকোনো পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রথম দুটো পাতা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে বলে রাখি কোন প্রশ্নের উত্তর ছেড়ে দিয়ে আসবে না যদি একেবারেই না জানা থাকে তাহলে আলাদা কথা। চেষ্টা করবে ১০০% প্রশ্নের উত্তর দিতে।

উত্তরঃ সবসময় পূর্ণ বাক্যে লিখবে। যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম সাল কত? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তোমাকে লিখতে হবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম সাল ১৮৬১ সালে। কখনোই শুধুমাত্র ১৮৬১ লিখে দিও না।

এই কথাগুলো যদি তুমি মাথায় রাখ তাহলে প্রত্যেকটা পরীক্ষায় তুমি অনেক ভাল রেজাল্ট করতে পারবে।

Spread the love

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.