অচেনা দেবেশ রায়

অচেনা দেবেশ রায়,- আমার চেয়ে ভাল বাংলা ছোটগল্প আর কে পড়াতে পারবে

নিজস্ব সংবাদ :- আমরা সাহিত্যিক দেবেশ রায় কে হয়তো মোটামুটি ভাবে সবাই চিনি। কিন্তু কেমন মানুষ ছিলেন দেবেশ রায় তা আজকে জানবো।

অচেনা দেবেশ রায়

অচেনা দেবেশ রায়

আমার ইউনিভার্সিটি জীবন এবং ব্যক্তি জীবন দেবেশ রায় কে ঘিরে অনেকটা আবর্তিত বিবর্তিত হয়েছে। দু বছরের বেশি সময় ধরে আমি ওনার সান্নিধ্য পেয়েছিলাম।

আমাদের স্যার এবং জনপ্রিয় কবি সুমন গুণ একদিন আমাদের ক্লাসে বললেন এরপর থেকে আমাদের ক্লাস নেবেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক দেবেশ রায়। দেবেশ রায় নামটা শুনেই সবার প্রথমেই মাথায় এসেছিল তিস্তাপারের বৃত্তান্ত উপন্যাসটার কথা।

দেবেশ রায়

ছবিটি মাননীয় অমর মিত্র ময়াশয়ের ফেসবুক পোস্ট থেকে নেওয়া

প্রখ্যাত সাহিত্যিক দেবেশ রায় আমাদের ক্লাস নেবেন এটা ভাবতেই কেমন যেন গায়ে কাঁটা দিচ্ছিল সেদিন। আমরা ভাগ্যের জোরে ক্লাস পেয়েছিলাম সুধীর চক্রবর্তী, হীরেন চট্টোপাধ্যায়ের মতো মানুষের।

শিক্ষক দেবেশ রায়

যেদিন উনি প্রথম ক্লাসে এলেন সেদিন আমরা সবাই ভেবেছিলাম উনি হয়তো দুই এক দিনে ক্লাস নেবেন কিন্তু উনি টানা দুই বছরের বেশি সময় ধরে আমাদের ক্লাস নিয়ে গেছেন।

উনার ক্লাসের সময় কেউ যদি টুকটাক কথাবার্তা বলত সেটাও ওনার একদম পছন্দ হতো না। একদিন শুধুমাত্র সন্দেহের বশে উনি আমাকে ক্লাস থেকে বের করে দিলেন,” আপনার যদি কোনও পার্সোনাল দরকার থেকে থাকে তাহলে আপনি বাইরে বেরিয়ে যেতে পারেন…” সবাইকে আপনি দিয়েই কথা বলতেন দেবেশ স্যার।

স্যার সেদিন আমার সঙ্গে আমার এক বান্ধবীকেও ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছিলেন। অথচ আমরা ক্লাসে বসে চুপচাপ উনার পড়ানো শুনছিলাম। যারা কথা বলছিল তারা ক্লাসেই রয়ে গেল। স্যারের এই ক্লাস থেকে বের করে দেওয়াটা আমার মনে থেকে যাওয়ার বিশেষ কারণ আছে।

সেদিন স্যার ক্লাস থেকে আমাকে বের করে দিয়ে আমাকে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে নিজের অজান্তেই ছুড়ে দিয়েছিলেন। স্যার সেটা জানতেও পারেন নি সেদিন আমাকে ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার পরিণাম কতটা ভয়ঙ্কর ভাবে ঘনিয়ে এসেছিল আমার জীবনে… না সেই পার্সোনাল গল্পে যাচ্ছি না। আলোচনা করব মানুষ দেবেশ রায়কে নিয়ে।

আরেক মজার ঘটনা বলি,-  

বছর দশেক আগেকার ঘটনা হলেও দিন দুটো আমার চোখে ঝলমল করে এখনো। আমাদের কোনো এক সেমিস্টারের খাতা দেখেছিলেন দেবেশ রায়। সম্ভবত ১৫ নম্বরের পরীক্ষাছিল। সবার প্রথমে আমার খাতাছিল তাই আমি কত পেয়েছি সেটা বললেন দেবেশ স্যার, “আপনি সাড়ে তিন পেয়েছেন”  সাড়ে তিন পেয়েছি শুনে আমার চুলগুলো ইলেকট্রিক শক খাওয়ার মত সোজাসুজি দাঁড়িয়ে গিয়েছিল।

ক্লাসের বন্ধুবান্ধবরা সবাই আমার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখছিল,  মাত্র সাড়ে তিন। লজ্জায় অভিমানে আমার মুখ লাল হয়ে গিয়েছিল। এত ভাল লিখ মাত্র সাড়ে তিন। ক্লাসের অন্যান্য বন্ধু-বান্ধবদের মনোভাব বুঝতে পেরেছিলেন স্যার । উনি বাকিরা কে কত নম্বর পেয়েছে সেটা জানানোর আগেই ঘোষণা করলেন হায়েস্ট নাম্বার হয়েছে চার। আমাদের বান্ধবী সুকন্যা পেয়েছিল সেই নাম্বার। অনন্যা যুগ্মভাবে আমার সঙ্গে সাড়ে তিন নম্বর পেয়ে সেকেন্ড হায়েস্ট নাম্বার পেয়েছিল। বাকিরা তিন বা তিনের কম।

সাড়ে তিন নাম্বারটাও যে গর্বের সেটা সেদিনই প্রথম বুঝতে পেরেছিলাম আমি। সাড়ে তিন পেয়ে প্রথম দিকে যে দুঃখটা হচ্ছিল পরে সেই দুঃখটা আনন্দে রূপান্তরিত হয়ে যায়।

এরপরে আরো এক সেমিস্টারে আমরা শুনেছিলাম দেবেশ রায় খাতা দেখবেন প্রবন্ধ পেপারের। যতদূর মনে পড়ে প্রশ্নটা ছিল বুদ্ধদেব বসুর বাথরুম আর সবচেয়ে দুঃখের দু’ঘণ্টা দুই প্রবন্ধের ভেতর কোনটা আপনার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে, কেন বেশি ভালো লাগে।

আমি শুরুটাই করেছিলাম এই দুই প্রবন্ধের কোনটাই আমার ভালো লাগেনি যদি আমাদের সিলেবাসে এই দুটো প্রবন্ধ না থাকতো তাহলে আমি হয়তো এই প্রবন্ধ দুটো কোনদিন পড়তামই না। তারপর তুলনামূলক বিচারে বাথরুম প্রবন্ধ টা আমার বেশি ভাললাগে এবং কেন বেশি ভালো লাগে তার ব্যাখ্যা করেছিলাম। পরীক্ষা দিতে দিতেই আমি আমার বন্ধু মধুর আর বিশ্বজিৎকে আমার খাতাটা পড়তে দিয়েছিলাম। আমার খাতাটা পড়ে দুজনেই বলেছিল শূন্যর বেশি আমি কিছুতেই পাবো না।

সৌভাগ্যবশত সেই পেপারে হায়েস্ট আমি পেয়েছিলাম।  দেবেশ রায় নিজে ক্লাসে বলেছিলেন আপনার জায়গায় আমি থাকলে আমিও ঠিক এই কথাগুলোই বলতাম।

সেদিনই বুঝতে পেরেছিলাম উনি আমাদের নিজস্ব মতামত গুলোকেই উত্তর হিসেবে পেতে চাইতেন। কোনও বই থেকে পড়ে এসে হুবুহু পরীক্ষার খাতায় লিখে দিলে উনি নাম্বার দিতেন না।

উনি একদিন ক্লাসে বলেও ছিলেন আমি তোমাদের মতামত জানতে চাইছি কোন সমালোচক কী বলেছেন তা আমার জানা আছে। সেটা নতুনভাবে জানানোর দরকার নেই ।

এই ছোট্ট উদাহরণ দুটো থেকে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন শিক্ষক হিসেবে দেবেশ রায় কেমন ছিলেন ।

মানুষ দেবেশ রায়

দেবেশ রায় যখন প্রথম আমাদের ক্লাসে এসেছিলেন তার আগেই আমার পড়া হয়ে গেছে দেবেশ রায়ের বেশ কয়েকটা উপন্যাস তার ভেতর “তিস্তাপারের বৃত্তান্ত” “মানুষ খুন করে কেন” সম্ভবত সেই সময় উনি লিখছিলেন “বরিশালের যোগেন মন্ডল”- এক বিরাট আকারের উপন্যাস।

দেবেশ রায়ের লেখা পড়লে সবার প্রথমে যেটা মাথায় আসতো, এত চরিত্রের নাম এত জটিল সম্পর্কের নিঁখুত বুনোন উনি মনে রাখতেন কিভাবে? এই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে ছিলাম আমাদের ক্লাসেই। একদিন হঠাৎ করেই আমার মাথায় এক প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমল কি বেঁচে আছে? প্রশ্নটা করেই বসেছিলেন দেবেশ স্যারকে। উনি এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন এক বছর পর।

হঠাৎ একদিন ক্লাসে আমাকে দাঁড়করিয়ে উনি বললেন,-” আপনি গতবছর আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন অমল বেঁচে আছে কি না। জানেন আপনার প্রশ্নটা নিয়ে আমি প্রায় এক বছর ধরে ভেবেছি। তারপর আমার মনে হয়েছে অমল মারা যায়নি আমি আপনি আমরা সবাই তো আমল…”

এত লেখালেখির চাপ এতো কাজের ভিড়েও স্যার মনে রেখেছিলেন যে প্রশ্নটা আমি করেছিলাম। আরেকদিন এক মজার ঘটনা ঘটেছিল স্যারের সঙ্গে। উনি সেদিন ইউনিভার্সিটির গেটের সামনে বসে চা খাচ্ছিলেন। সেদিন আমাদের এক বন্ধুর বাবা মা এসেছিলেন ইউনিভার্সিটিতে। বাবা-মায়ের কাছে নিজেকে বিরাট কিছু প্রমাণ করতে গিয়ে আমাদের সেই বন্ধু দেশের রায়ের সঙ্গে বাবা-মায়ের পরিচয় করিয়ে দিতে গিয়ে বলে, ‘ইনি আমাদের স্যার দেবেশ রায়। বিখ্যাত সাহিত্যিক। আমরা প্রতিদিন ওনার ক্লাস করি। আমরা সৌভাগ্যবান যে আমরা ওনার ক্লাস পেয়েছি।’

দেবেশ রায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য আমাদের সেই বন্ধুর মুখের দিকে তাকিয়ে দেখেন তারপর উনি যেটা বলেন সেটা সত্যি সত্যিই সকলকে হতবাক করে দেওয়ার মত,-

“আমার যতদূর মনে পড়ে আপনি আমার প্রথম ক্লাস আর তৃতীয় ক্লাসেই ছিলেন আর কোনদিন আপনি আমার ক্লাস করেন নি।” কথাটা বলেই দেবেশ রায় নিজের গাড়ির উদ্দেশ্যে সিঁড়ি বেয়ে নেমে পড়েন ।

আমরা হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম উনার কথা শুনে। উনি সত্যি সত্যিই ঠিক বলেছিলেন, আমাদের সেই বন্ধু শুধুমাত্র ওনার প্রথম ক্লাস তৃতীয় ক্লাসটুকুই করেছিল। এমন প্রখর স্মৃতিশক্তির মানুষ আমি এর আগে দেখি নি।

আত্মমগ্ন দেবেশ রায়

আবার এই মানুষটি মাঝে মাঝে এতটাই আত্মমগ্ন হয়ে যেতেন যে নিজের গাড়ি বা ড্রাইভার কিছুই চিনতে পারতেন না। আমরা গিয়ে ওনাকে ওনার ড্রাইভার আর গাড়ি খুঁজে দিতাম।

দেবশ রায়ের কথা মনে করতে গিয়ে আজকে অনেক কথাই মনে পড়ছে তেমন আরেকটা গল্প বলি। দেবেশ রায় যখন আমাদেরকে পড়াতেন তখন এতটাই আত্মমগ্ন হয়ে যেতেন যে আমরা মাঝে মাঝেই উনার পড়ানোর কোনওকিছুই বুঝতে পারতাম না। সব যেন মাথার উপর দিয়ে বেরিয়ে যেত। একদিন আমরা ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর কে বললাম যে দেবের স্যারের টপিক চেঞ্জ করার জন্য, ছোটগল্পের পরিবর্তে যদি দেবের স্যারকে রবীন্দ্রসাহিত্য দেওয়া হয় তাহলে মনে হয় উনি আরো ভালো পড়াবেন এটা ছিল আমাদের দাবি।

ভাইস-চ্যান্সেলর এসে দেবেশ রায় কে প্রস্তাব দিলেন রবীন্দ্র সাহিত্য পড়ানোর জন্য। ভাইস-চ্যান্সেলরের প্রস্তাবের উত্তর দেবেশ স্যার দিয়েছিলেন,-

“আমার চেয়ে ভালো বাংলা ছোটগল্প আর কে পড়াতে পারবে… আমার তো তেমন কারো কথা মনে পড়ছে না যে আমার চেয়ে ভালো ছোটগল্প পড়াতে পারবে।”-

এখানে হয়তো অনেকেই বলবেন অহংকারী ছিলেন দেবেশ রায়।

কিন্তু এটা সম্পূর্ণ মিথ্যে বলা হবে যদি ওনাকে অহংকারী বলা হয়, আসলে উনি ছিলেন প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী এবং উনি বিশ্বাস করতেন উনি সবচেয়ে ভালো ছোটগল্প পড়াতে পারবেন। পরে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে উনি উনার পড়ানোর ধরন পরিবর্তন করেছিলেন। বাংলা ছোটগল্প নিয়ে উনি এমন বেশকিছু ক্লাস নিয়েছেন যা আজীবন মনে রাখার মত।

আমরা দেবেশ রায়ের পরিবর্তে হীরেণ চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা ছোটগল্প পড়ানোর জন্য অনুরোধ করেছিলাম। হীরেন চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন,-

“আমি তোমাদের ছোটগল্প পড়াতে পারি যদি তোমরা দেবেশ রায়ের ক্লাসে আমাকে বসার অনুমতি দাও। উনার কয়েকটা ছোটগল্পের ক্লাস করলে ছোটগল্প সম্পর্কে আরও একটু বিশেষ জ্ঞান অর্জন করতে পারব। আশাকরি তখন তোমাদেরকে আরও একটু ভালো পড়াতে পারবো।” সেদিন হীরেণ চট্টোপাধ্যায় সাহিত্যিক দেবেশ রায়ের নানান স্মৃতিচারণা করেছিলেন। আমরা হীরেণ চট্টোপাধ্যায়ের মুখেই শুনেছিলাম এক অলৌকিক সাহিত্যিকের গল্প।

আমি সেই সময় থেকেই টুকটাক বাংলা ছোটগল্প লিখতে শুরু করেছি। আমি তখন ছোটগল্প লিখতাম আর হীরেণ স্যারের হাতে তুলে দিতাম, সেই গল্পগুলো পড়ার জন্য। হীরেন চট্টোপাধ্যায় তখন নবকল্লোল আর  শুকতারা পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে উপন্যাস লিখছেন। আজকের জনপ্রিয় সাহিত্যিক সায়ন্তনী পুততুন্ড দীর্ঘদিন হীরেণ চট্টোপাধ্যায়ের সান্নিধ্য পেয়েছিলেন। যাই হোক একদিন হীরেন স্যার আমার একটা গল্প নিয়ে গিয়ে দেবেশ রায়ের হাতে তুলে দিলেন। বললেন গল্পটা পড়ে দেখার জন্য ।

ওই গল্পটা নিয়ে দেবেশ রায় আমার কাছে কোনদিন কোন মন্তব্য প্রকাশ করেননি, হীরেণ স্যারকে যদি উনি কিছু বলে থেকে থাকেন সেটাও আমার অজানা।

বছর তিনেক আগে যখন আরম্ভ পত্রিকায় আমার এক গল্প প্রকাশিত হয় তখন দেবেশ রায় আমাকে ফোন করেন। উনি জানিয়েছিলেন, “কেন যেন আমার মনে হচ্ছিল এই গল্পটা আপনার লেখা। অনেকদিন আগে হীরেণ আমাকে আপনার একটা গল্প পড়তে দিয়েছিল। লেখার ধরনটা দেখেই বুঝতে পারলাম এই গল্পটা আপনার লেখাই হবে।”

উনি আমার মোবাইল নাম্বার কখন কোথায় কার কাছে পেয়েছিলেন তা আজও আমার অজানা। শুধু বলেছিলেন ডায়েরিতে আপনার মোবাইল নাম্বার লেখাছিল। এই ছোট্ট ঘটনাটা থেকেই আমরা এক বিরাট মানুষকে খুঁজে পাই। দেবেশ রায়ের সঙ্গে আমার শেষ কথা হয়েছিল ওই ফোনেই। সেদিন ওনার সঙ্গে অনেক কথা হয়েছিল, যদিও আমার বেশিরভাগ কথা উনি শুনতে পাচ্ছিলেন না তাই বেশি কথা উনি বলছিলেন।

দু বছরের বেশি সময় ধরে আমরা ক্লাস পেয়েছিলাম ওনার কিন্তু উনি কোনদিন ভুল করেও ওনার সাহিত্য জীবন নিয়ে কোনো কথা বলেন নি। পাঠ্য বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে যতটুকু সাহিত্য আলোচনা করা যায় উনি ততটুকুই সাহিত্য আলোচনা করতেন তার বাইরে ব্যক্তিজীবনকে কোনদিন টেনে আনতেন না। আসলে উনি জানতেন ওনার নিজেকে প্রকাশ করার দরকার নেই।

নক্ষত্রলোকে সাহিত্যিক দেবেশ রায়

বর্তমানে দু’পার বাংলাতেই এমন অনেক সাহিত্যিক আছেন যারা আজও দেবেশ রায়ের আলোয় আলোকিত।

আমরা গতকাল রাত ১০ টা ৫০ নাগাদ এই মহান মানুষটিকে হারিয়েছি। মৃত্যুকালে উনার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে বাগুইহাটির এক নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিলেন দেবেশ রায়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ পর্যন্ত সাহিত্যিক দেবেশ রায় পাড়ি দিলেন তিস্তার আরেক পারে অজানা অচেনা নক্ষত্র জগতে।

আমি বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায় আজ আমার স্যার দেবেশ রায় কে স্মরণ করলাম মাত্র। উনি যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন। উনাকে নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখা শুরু হয়েছে। সাহিত্যিক অমর মিত্র সহ আরো অনেকেই স্মৃতিচারণা করছেন দেবেশ রায়ের ।

দেবেশ রায় এর মত একজন সাহিত্যিককে হারানো বাংলা সাহিত্যের পক্ষে যথেষ্ট  ক্ষতির। বাংলা ও বাঙালি এই দেবেশ রায়ের অভাব আজীবন অনুভব করবে।

আরও পড়ুনঃ- গুলাবো সিতাবো সিনেমাটি রিলিজ হচ্ছে অনলাইনে।

কীভাবে লিখতে হয় বাংলা গল্প

Spread the love

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.